আজকাল ওয়েবডেস্ক: দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ফ্লপ বৈভব সূর্যবংশী। শুক্রবার দ্বিতীয় ওভারে তাঁকে বোল্ড করেন কাইলি জেমিসন। ইনসুইঙ্গিং ইয়র্কারে মার খান ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন সেনসেশন। বল ব্যাটের নীচের অংশে লেগে স্ট্যাম্পে লাগে। ২ বলে ৪ রান করে ফেরেন। বৈভবকে আউট করে উচ্ছ্বাস চেপে রাখতে পারেননি জেমিসন। সেলিব্রেশনে ছিল আগ্রাসন। দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে ফেরেন ১৫ বছরের বিস্ময় বালক। জেমিসনকে বাউন্ডারি মারার এক বল পরেই আউট হন। জেমিসনের সেলিব্রেশন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সূর্যবংশীর মুখের ওপর যেভাবে সেলিব্রেট করেন, কোহলিও কোনওদিন করেনি। সোশ্যাল মিডিয়া বিষয়টিকে ভালভাবে নেয়নি। প্রশ্ন, জেমিসন কেন এইভাবে আগ্রাসন দেখালো? মাত্র ১৫ বছরের বালকের বিরুদ্ধে এমন আচরণ মেনে নিতে পারেনি অধিকাংশ। সোচ্চার হয় নেটমাধ্যম। 

এদিন জোড়া রেকর্ডের হাতছানি ছিল বৈভবের সামনে। একটি ছক্কা মারলেই টি-২০ ক্রিকেটে ছয়ের সেঞ্চুরির রেকর্ড করতেন। বর্তমানে এই রেকর্ড কাইরন পোলার্ডের দখলে। ৮৪৩ বল খেলে এই নজির গড়েন। সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্লেয়ার হিসেবে এই রেকর্ড করতে মাত্র একটি ছয়ের প্রয়োজন ছিল বৈভবের। চলতি আইপিএলে ১০ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৪০৪ রান। গড় ৪০.৪০। স্ট্রাইক রেট ২৩৭.৬৪। তারমধ্যে রয়েছে একটি শতরান, দুটি অর্ধশতরান। সর্বোচ্চ ১০৩। এখনও পর্যন্ত ৩৭টি ছয় এবং ৩৪টি চার মারেন। আইপিএলের ১৭ ম্যাচে ৬৫৬ রান বৈভবের। গড় ৩৮.৫৮। স্ট্রাইক রেট ২২৪.৬৫। রয়েছে দুটো শতরান। 

মাত্র ১৫ বছর বয়সে প্রতিদিনই নতুন নজির সৃষ্টি করছে ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন সেনসেশন। বাদ যায়নি পাঞ্জাব কিংস ম্যাচও। আইপিএলের এক সংস্করণে দ্রুততম প্লেয়ার হিসেবে ৪০০ রানে পৌঁছে যান। মাত্র ১৬৭ বল নেন। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে এই নজির গড়েন। ভেঙে দেন আন্দ্রে রাসেলের রেকর্ড। ২০১৯ সালে এই নজির গড়েছিলেন ক্যারিবিয়ান তারকা। নিয়েছিলেন ১৮৮ বল। ২১ বল আগে এই মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলেন সূর্যবংশী। যা প্রমাণ করে চলতি আইপিএলে দারুণ ছন্দে আছেন। পাঞ্জাবের ২২৩ রান তাড়া করতে নেমে ১৬ বলে ৪৩ করেন উঠতি তারকা। তবে দিল্লির বিরুদ্ধে পাননি রান। যদিও এক ম্যাচের ব্যর্থতায় আটকাবে না রেকর্ড। আইপিএলের পরের ম্যাচে একটি ছক্কা হাঁকালেই আবার নতুন ইতিহাস।