আজকাল ওয়েবডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ০-২ এ সিরিজ হারের পর চাপে আছেন গৌতম গম্ভীর। বিশেষজ্ঞ থেকে ফ্যান, সমালোচনার মুখে টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ। প্রথম ভারতীয় কোচ হিসেবে ঘরের মাঠে পরপর দুটো সিরিজে ওয়াইটওয়াশ। এমন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার রাস্তা বাতলে দিলেন রবি শাস্ত্রী। ভারতের প্রাক্তন কোচ মনে করছেন, গম্ভীরকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরার বার্তা দেন। একটি সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেন, 'পারফরমেন্স যদি খারাপ হয়, সরিয়ে দেওয়া হতেই পারে। তাই ধৈর্য ধরতে হবে। ম্যান ম্যানেজমেন্টে দক্ষতা থাকা জরুরি। সেটা থাকলে তবেই প্লেয়ারদের জয়ের জন্য মোটিভেট করা সম্ভব। আমরা সেটাই করেছি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, খেলাটা উপভোগ করা। চাপ নেওয়া চলবে না।'
ভারতের কোচ হিসেবে দেড় বছরে চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন গম্ভীর। অবশ্য কয়েকটা বড় সাফল্যও পেয়েছে। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং এশিয়া কাপ জিতেছে ভারত। কোনও ম্যাচ না হেরে চ্যাম্পিয়ন হয়। সাদা বলের ক্রিকেটে উন্নতি হলেও, টেস্টে পারফরম্যান্স গ্রাফ পতনের দিকে। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে হোয়াইটওয়াশ হয়। তারমধ্যে বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার সঙ্গে সম্পর্কে অবনতি হয় গম্ভীরের। একাধিক রিপোর্টে বলা হয়, হেড কোচের সঙ্গে দুই মহাতারকার সম্পর্কে তিক্ততা এসেছে। গম্ভীরের পরবর্তী পরীক্ষা টি-২০ বিশ্বকাপ। ফেব্রুয়ারি থেকে ঘরের মাঠে শুরু সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বকাপ। ফেভারিট হিসেবেই নামবে টিম ইন্ডিয়া।
প্রসঙ্গত, প্রথম ম্যাচে কোহলির সেঞ্চুরির পরে গৌতম গম্ভীর সাজঘরে আলিঙ্গন করেন বিরাটকে। রোহিতকেও দেখা যায় গম্ভীরের সঙ্গে আলোচনায় মেতে থাকতে। কিন্তু কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, তা জানা যায়নি। তবে কোচ ও ক্রিকেটারের মধ্যে কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, তা নিয়ে কৌতূহলী ভক্তরা। খবরের ভিতরের খবর বলছে, রোহিত-কোহলির সঙ্গে গম্ভীরের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। যার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডও নাকি হতাশ। তবে এব্যাপারে কোনও পক্ষই মুখ খোলেননি। কিন্তু গম্ভীর বিভিন্ন সময়ে নাম না নিয়ে এমন সব মন্তব্য করেছেন, যাতে মনে হওয়াই স্বাভাবিক হেড কোচের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে রোহিত-কোহলির। দুই তারকা ক্রিকেটের টেস্ট ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়েছেন, তার জন্য অনেকেই গম্ভীরকে কাঠগড়ায় তোলেন। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার জন্যও টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচকেই দায়ী করা হচ্ছে।
