আজকাল ওয়েবডেস্ক: মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়তে চলেছেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। ২০১৫ আইপিএলে মুম্বইয়ের হয়ে হাতেখড়ি হয় তারকা অলরাউন্ডারের। ২০২১ পর্যন্ত খেলেন। তারপর গুজরাট টাইট্যান্সের অধিনায়ক হন হার্দিক। দু'বছর নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়কত্ব করার পর আবার মুম্বইয়ে ফেরেন। অধিনায়ক হিসেবে। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংস ভাল হয়নি। হার্দিকের নেতৃত্বে গত তিনবছর আইপিএলে তলানিতে শেষ করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এবার ফ্র্যাঞ্চাইজি ছাড়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তারকা অলরাউন্ডার। এটা জানার পরই, তাঁকে পেতে ঝাঁপায় অন্যান্য ফ্রাঞ্চাজিরা। এই তালিকায় রয়েছে সাত ফ্র্যাঞ্চাইজি। 

একটি সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রান্সফার উইন্ডোতে হার্দিককে নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সাতটি দল। শুধুমাত্র রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তারকা অলরাউন্ডারের দিকে হাত বাড়ায়নি। আগ্রহী ফ্রাঞ্চাইজিদের মধ্যে দৌড়ে সবার আগে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। তাঁদের লড়াই চলছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে। তারমধ্যে লড়াইয়ে ঢুকে পড়েছে রাজস্থান রয়্যালসও। এই তিন দলের মধ্যে শেষপর্যন্ত কারা জেতে, সেটাই দেখার। তারই মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি বড় পরিকল্পনা নেন হার্দিক। 

মুম্বই ছেড়ে বেঙ্গালুরুতে পাড়ি দেন হার্দিক। কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছেড়ে দক্ষিণের দিকে পাড়ি দিতে পারেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। আগামী আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে দেখা যেতে পারে তাঁকে। তাঁরই মধ্যে হার্দিকের ঠিকানা বদলে ফেলা তাৎপর্যপূর্ণ। আগামী দিনের জন্য বেঙ্গালুরুর বিসিসিআইয়ের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সকেই ঠিকানা করে এগোতে চান জুনিয়র পাণ্ডিয়া। বর্তমান প্লেয়ারদের মধ্যে হার্দিকই প্রথম যে সিওইর কাছাকাছি নিজের থাকার বন্দোবস্ত করল। চোটের পর রিহ্যাব, ফিটনেস ট্রেনিং, ফিটনেস পরীক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় সিওই। গত এক দশক ধরে মুম্বইয়ে বসবাস করছিলেন। ঘানসোলিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ট্রেনিং সেন্টারে প্র্যাকটিস করতেন। কিন্তু গত ছয় মাসে অধিকাংশ সময় বেঙ্গালুরুর সিওইতে কাটান হার্দিক। সেই কারণেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেন তারকা অলরাউন্ডার।