আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইপিএল চলাকালীনই সমস্যায় যশস্বী জয়েসওয়াল। ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির পক্ষ থেকে নোটিস পাঠানো হয় ভারতীয় ওপেনারকে। ডোপ টেস্ট না দেওয়ায় জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হল। একই সমস্যায় শেফালি বর্মা। ডোপ টেস্ট মিস করেন। দু'জনেই নাডার রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুলের সদস্য। এই ক্যাটাগরিতে থাকা অ্যাথলিটদের ট্র্যাভেল সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য ওয়াডাকে জানিয়ে রাখা নিয়ম। তারমধ্যে নিয়মিত এক ঘণ্টা সময় দেওয়ার কথা। যখন তাঁরা ডোপ টেস্টের জন্য মজুত থাকতে পারবে। বিভিন্ন রিপোর্টের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর ডোপ কন্ট্রোল অফিসারেরা যখন নমুনা নিতে এসেছিল, শেফালি ছিলেন না। ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর ডোপ টেস্ট দেওয়ার জন্য হাজির ছিলেন না যশস্বীও।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দু'জনের থেকে ডোপ টেস্ট মিস করায় কারণ জানতে চায় ওয়াডা। কিন্তু কোনও উত্তর পায়নি। যার ফলে ধরে নেওয়া হয়, যশস্বী এবং শেফালি টেস্ট মিস করেছে। বিসিসিআই এবং আইসিসিকে সেই বিষয়ে জানিয়েছে ওয়াডা। সাত দিনের মধ্যে তাঁদের অনুপস্থিতির কারণ জানাতে বলা হয়েছে। রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুলের অধীনে থাকা অ্যাথলিটদের প্রত্যেকদিন ৬০ মিনিটের একটি স্লট দিতে হয়। সেই সময়ের মধ্যে তাঁদের টেস্টের জন্য তৈরি থাকতে হয়। সেটা আগাম খবর ছাড়াও হতে পারে। বিশ্ব অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি এবং ইউনাইটেড ওয়ার্ল্ড ডোপিংয়ের নিয়ম অনুযায়ী, ১২ মাসের মধ্যে তিনবার ডোপিং টেস্টে অনুপস্থিত থাকলে, সেটা নিয়ম অগ্রাজ্যের মধ্যে পড়ে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দু'বছর পর্যন্ত নির্বাসন হতে পারে। এটা যশস্বী এবং শেফালির প্রথম ভুল হওয়ায় তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। কোনও শাস্তি বা নির্বাসনের মুখে পড়তে হচ্ছে না। তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে হবে। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ডোপ কেলেঙ্কারিতে পৃথ্বী শকে ৮ মাসের জন্য নির্বাসিত করে ওয়াডা।















