আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আইপিএলে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে দলগুলি। নিলামে যে পরিকল্পনা করে দল তৈরি করা হয়েছিল তা কাজে লাগেনি অধিকাংশ ফ্রাঞ্চাইজির। ক্রিকেটারদের চোট–আঘাত পরিকল্পনায় অনেকটাই ধাক্কা দিয়েছে। কেউ কেউ আবার ফিটনেসের সমস্যায় মাঠে নামতে পারেননি এখনও। এই তালিকায় এক নম্বর নাম মহেন্দ্র সিং ধোনি। জানা গেছে, যে ক্রিকেটারদের পাওয়া যাচ্ছে না, তাঁদের মোট মূল্য ৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এই হিসাবে কেকেআরের ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি।


আইপিএলের গত নিলামের সময় ৬৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স কর্তৃপক্ষের কাছে। ভারসাম্য যুক্ত দল তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু আইপিএল শুরুর আগেই একের পর এক ধাক্কা খেয়েছে কেকেআর। মুস্তাফিজুর রহমানকে খেলাতে বারণ করেছিল বিসিসিআই। বাংলাদেশের জোরে বোলারকে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কিনেছিল কেকেআর। টি–২০ বিশ্বকাপের আগে পায়ের লিগামেন্টে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ভারতীয় দলের বোলারকে ৪ কোটি টাকায় রিটেন করেছিল কেকেআর। আবার টি–২০ বিশ্বকাপের সময় চোট পান শ্রীলঙ্কার পেসার মাথিশা পাথিরানা। তাঁকে ১৮ কোটি টাকায় কেনা হয়েছিল। চোট সারিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিলেও এখনও ম্যাচ খেলেননি তিনি। কেকেআরের ৩১ কোটি ২০ লাখ টাকা জলে গিয়েছে।


আবার রাজস্থান রয়্যালস স্যাম কারেনের সার্ভিস পাচ্ছে না। তাঁকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকায় নিলামে কেনা হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস থেকে। বিভিন্ন কারণে চেন্নাই পাচ্ছে না খলিল আহমেদ, নাথান এলিস এবং আয়ুষ মাত্রেকে। তাঁদের সম্মিলিত মূল্য সাড়ে ৬ কোটি টাকা। ধোনি ফিটনেসের অভাবে এখনও নামতে পারেননি। আবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স চোটের জন্য সব ম্যাচে পায়নি রোহিত শর্মা, উইল জ্যাকস এবং মিচেল স্যান্টনারকে। আবার অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলেউড, ক্যামেরন গ্রিনদের গোটা প্রতিযোগিতায় ১০০ শতাংশ ফিট অবস্থায় পাওয়া যায়নি। আবার লখনউ সুপার জায়ান্টস ১ কোটিতে কেনা আকাশ দীপকে এবার খেলাতে পারেনি চোটের জন্য। দিল্লি ক্যাপিটালস ২ কোটি টাকায় কিনেছিল বেন ডাকেটকে। প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই নাম প্রত্যাহার করে নেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার। এই সমস্যাগুলোই বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে আইপিএল ফ্রাঞ্চাইজিগুলোকে।