আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইপিএল চলাকালীন বিতর্কে জড়িয়ে পড়ল রাজস্থান রয়্যালস। মাত্র দু'দিন আগেই এই ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনেছে মিত্তাল পরিবার এবং আদর পুনওয়ালা। রবিবার হস্তান্তর সম্পূর্ণ হয়েছে। এর আগে রাজস্থান রয়্যালস কেনার কথা ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাল সোমানি, রব এবং জর্ডন ওয়ালটন এবং মাইকেল হ্যাম্পের। ফান্ডিং সমস্যার জন্য শেষমুহূর্তে তাঁদের বিড বাতিল করে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পরই একটি বিবৃতি দিয়েছে কাল সোমানি গ্রুপ। তাতে হতাশা স্পষ্ট। কনসোর্টিয়ামের দাবি, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁরাই বিড করছিল। ছয় মাস ধরে এই প্রক্রিয়া চলে। কিন্তু সবকিছু বৃথা। শেষপর্যন্ত রাজস্থান রয়্যালসের শেয়ার যায় তাঁদেরই প্রতিপক্ষ মিত্তাল পরিবার এবং আদর পুনওয়ালার কাছে। 

বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হয়েছে, আর্থিক জটিলতার জন্য শেষমেশ তাঁদের বিড বাতিল হয়ে যায়। যার ঘোর প্রতিবাদ করে সোমানি কনসোর্টিয়াম। দাবি, তাঁদের টাকার কোনও অভাব ছিল না। কোনওদিন বিড থেকেও নাম প্রত্যাহার করেনি। বরং, রাজস্থান রয়্যালস ম্যানেজমেন্টের দিকে আঙুল তোলা হয়। স্বচ্ছতা বজায় রাখার আবেদিন জানানো হয়। মঙ্গলবার কাল সোমানি কনসোর্টিয়ামের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে লেখা, 'আমরা রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা না পেয়ে হতাশ। দীর্ঘ ছয় মাসে আমরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলাম। আমরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে ইনভেস্টরদের জোগাড় করি। এমন সংস্থার সঙ্গে মেলবন্ধি করা হয় যাদের এনবিএ, এমএলবি, ইপিএল, লা লিগা এবং টিজিএলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। পেশাদার স্পোর্টসের গ্লোবাল সুপারস্টাররাও আমাদের সঙ্গে যুক্ত ছিল। আইপিএলকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল। প্রক্রিয়া চলাকালীন আমরাই সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রুপ ছিলাম। প্রেস ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছে। আমাদের ফান্ডিং নিয়ে কোনও সমস্যা হয়নি। বিড প্রত্যাহার করিনি। বলা হয়েছিল, শনিবার ফ্র্যাঞ্চাইজির বোর্ড মিটিংয়ে আমাদের কনসোর্টিয়ামের বিড গ্রহণ করে নেওয়া হবে। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেটা হয়নি। আমরা স্বচ্ছ, পেশাদার মনোভাব নিয়ে গোটা প্রক্রিয়ার সামিল হয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সেটাই যথেষ্ট ছিল না। এই ধরনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। তবে আমাদের লক্ষ্য বদলাবে না। আমরা ভবিষ্যতে সুযোগের অপেক্ষায় থাকব।'

৩ মে ১.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে রাজস্থান রয়্যালসকে টেকওভারের কথা জানানো হয়। কাল সোমানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে ঝামেলায় আইনি জটিলতার মধ্যে পড়তে হতে পারে ফ্রাঞ্চাজিকে। যা মিত্তাল পরিবার এবং আদর পুনওয়ালার ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।