আজকাল ওয়েবডেস্ক: আরও একবার দুর্ধর্ষ বৈভব সূর্যবংশী। জয়পুরে ব্যাট হাতে আবার ঝড় তোলেন। তবে একটুর জন্য শতরান হাতছাড়া হয়। ৩৮ বলে ৯৩ রান করে আউট হন। ঝোড়ো ইনিংসে ছিল ১০টি ছয়, ৭টি চার। শতরান হাতছাড়া হলেও দলকে একার হাতেই জেতান। ঘরের মাঠে রাজস্থান রয়্যালসের প্রথম জয়। লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে প্রবলভাবে টিকে থাকল রাজস্থান। প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান তোলে লখনউ। জবাবে পাঁচ বল বাকি থাকতে ১৯.১ ওভারে ৭ উইকেটে জয়সূচক রানে পৌঁছে যায় রাজস্থান। রিয়ান পরাগ, রবীন্দ্র জাদেজাকে ছাড়াই দলকে জেতান যশস্বী। ১৩ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে চার নম্বরে উঠে এল সূর্যবংশীরা। রবিবার মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ জিতলেই প্লে অফ নিশ্চিত। অর্থাৎ, ভাগ্য নিজেদের হাতেই রাখল রাজস্থান। একই সঙ্গে মিচেল মার্শের থেকে কমলা টুপি ছিনিয়ে দিলেন বৈভব। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীদের তালিকায় একনম্বরে বিস্ময় বালক। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ থেকে পণ্ডিত, সবাই তাঁর জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে সওয়াল করছেন। এদিন বোর্ডের নির্বাচকদের আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন, বড় মঞ্চের জন্য তিনি তৈরি।
প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে এদিন জিততেই হত রাজস্থানকে। বৈভবদের জয়ে কিছুটা সমস্যায় পাঞ্জাব কিংস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স। চার থেকে একধাপ নীচে নেমে গেল পাঞ্জাব। আট নম্বরেই কেকেআর। তবে রাজস্থান যদি মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ জেতে, সরাসরি চতুর্থ দল হিসেবে প্লে অফে চলে যাবে। নিজেদের বাকি ম্যাচ জিতলেও ছিটকে যাবে কেকেআর এবং পাঞ্জাব। এদিন প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারের শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান তোলে লখনউ। ওপেনিং জুটিতে ১০৯ রান যোগ করে মিচেল মার্শ এবং জস ইংলিশ জুটি। মাত্র চার রানের জন্য শতরান হাতছাড়া হয় মার্শের। ৫৭ বলে ৯৬ রান করেন। ইনিংসে ছিল ৫টি ছয়, ১১টি চার। ২৯ বলে ৬০ রান করেন ইংলিশ। রান পাননি নিকোলাস পুরান (১৬)। ২৩ বলে ৩৫ রান করেন ঋষভ পন্থ।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভাল করে রাজস্থান। প্রথম উইকেটে ৭৫ রান যোগ করে যশস্বী জয়েসওয়াল এবং বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র সাত রানের জন্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করেন। ২৩ বলে ৪৩ রান করে আউট হন। বাকিটা বৈভব শো। ২২১ রান তাড়া করতে নেমে একাই দলকে টানেন ১৫ বছরের ক্রিকেটার। রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। দেখিয়ে দেন অফসাইডেও মারতে পারেন। আইপিএলের অন্যতম সেরা ইনিংস উঠতি তারকার। ছয়ের বন্যা বইয়ে দেন। অনবদ্য পারফরম্যান্স। বাকিটা শেষ করেন ধ্রুব জুরেল। ৩৮ বলে ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন। জয়পুরে শেষ ম্যাচে প্রথম জয় রাজস্থানের।















