আজকাল ওয়েবডেস্ক: বৈভব সূর্যবংশীর পাশে দাঁড়ালেন নীতীশ রানা। নীতীশ বার্তা, প্রতিভা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বয়স কখনওই মানদণ্ড হতে পারে না। তাঁর মতে, বৈভব ইতিমধ্যেই এমন এক প্রতিভার পরিচয় দিয়েছে, যা আগামী প্রজন্মের অসংখ্য তরুণ ক্রিকেটারকে অনুপ্রাণিত করবে।

একান্ত সাক্ষাৎকারে রানা জানান, আইপিএলে খুব কাছ থেকে বৈভবের পারফরম্যান্স ও উন্নতি তিনি দেখেছেন। তাই এই তরুণ ক্রিকেটারের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে নিজেকে আরও বড় মঞ্চে প্রমাণ করার সব সুযোগই বৈভবের পাওয়া উচিত।

রানার কথায়, ''বয়স নয়, আসল বিষয় হলো প্রতিভা। আমি সবসময়ই প্রতিভা ও সম্ভাবনায় বিশ্বাস করি। বৈভবকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। ও ইতিমধ্যেই অনেকের কাছে রোল মডেল হয়ে উঠছে। তবে এর সঙ্গে দায়িত্বও বেড়ে যায়, কারণ ওকে দেখে এখন অনেকেই ১৫ বছর বয়সেই ভারতের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।''

নীতীশ রানার মতে, বৈভব সূর্যবংশীর উত্থান তরুণ ক্রিকেটারদের মানসিকতায় বড় পরিবর্তন এনে দিয়েছে। তাঁর এই সাফল্য প্রমাণ করেছে, অসাধারণ প্রতিভা থাকলে বয়স কোনও বাধাই নয়। কঠোর পরিশ্রম ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে খুব অল্প সময়েই জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়া সম্ভব। 

আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বৈভব সূর্যবংশীকে একটি ম্যাচেও নামানো হয়নি। 

১৫ বছর বয়সী কিশোর তারকাকে প্রথম একাদশে না রাখার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন ভারতের প্রাক্তন অফস্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। আর সমর্থন করে তীব্র সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে অশ্বিন বলেন, সিনিয়র ক্রিকেটারদের জন্য মাঠে জল বহন করা বা ড্রেসিংরুমের পরিবেশে থেকে শেখার মধ্যে কোনও অসম্মানের বিষয় নেই।

আইপিএলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ভারত-এ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কায় ত্রিদেশীয় সিরিজেও নজরকাড়া ব্যাটিং করেন বৈভব। সেখানে তিনি লিস্ট-এ ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্রুততম অর্ধশতরানের রেকর্ডও গড়েন। 

তবুও আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের সুযোগ পাননি এই তরুণ ব্যাটার।

সেই সময়ে অশ্বিন বলেছিলেন, জাতীয় দলের পরিবেশে থেকে খেলা দেখা, দলের সঙ্গে সময় কাটানো এবং ছোট ছোট দায়িত্ব পালন করাও একজন তরুণ ক্রিকেটারের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাঁর মন্তব্য ছিল, ''দলের বাইরে বসেও অনেক কিছু শেখা যায়। সে দলের জন্য কাজ করুক, প্রয়োজনে জলও বহন করুক। এই অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক।''