আজকাল ওয়েবডেস্ক: টুটু বোসের প্রয়াণে আজ শোকস্তব্ধ কলকাতা ময়দান। সকাল থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে ছিল মানুষের ঢল। ক্রীড়াজগত থেকে রাজনৈতিক মহল—সবাই এসেছেন প্রিয় মানুষটিকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে।
এসেছিলেন অভিনেত্রী মুনমুন সেন এবং তাঁর কন্যা রাইমা। টুটু বোসের প্রতি শ্রদ্ধা জানান মুনমুন। কোনও কথা বলতে চাননি তিনি। রাইমাও নীরবে ফুল-মালা অর্পণ করে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
রাজনৈতিক জগতের ব্যক্তিত্ব শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, স্বপন দাশগুপ্ত, বিমান বসু, ববি হাকিম, অতীন ঘোষ-সহ আরও অনেকে উপস্থিত হয়েছিলেন। টুটু বোসের প্রয়াণ সংবাদ মিলিয়ে দিয়েছে রাজনীতি,খেলা এবং সিনেজগতকেও। প্রাক্তন ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য, সত্যজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শিশির ঘোষ, অমিত ভদ্র, রঞ্জন ভট্টাচার্য-সহ আরও অনেকে শেষ দেখায় এসেছিলেন টুটু বোসের বাসভবনে। ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট কল্যাণ চৌবে, তাঁর স্ত্রী সোহিনী চৌবে-সহ আরও অনেকে উপস্থিত হয়েছিলেন। সিএবি-র তরফ থেকেও শোকজ্ঞাপন করা হয়েছে। এসেছিলেন মহমেডান স্পোর্টিংয়ের কর্তারাও। সকলের চোখেমুখেই ছিল গভীর শোক আর প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনা।
একদা ঘরের ছেলে বলে পরিচিত সুব্রত ভট্টাচার্যের সঙ্গে টুটু বোসের সম্পর্ক ছিল গভীর। এদিন কার্যত তিনি হয়ে গিয়েছিলেন বাকরুদ্ধ। স্মৃতি হাতড়ে বলছিলেন, ''আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে গিয়েছেন ক্লাবের উন্নতির জন্য। আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে গিয়েছেন। উনি চলে গেলেন। এখন একটু দুশ্চিন্তায় রয়েছি। অনেক স্মৃতি ভিড় করছে। ওঁর মাঠে আসা প্রেরণায় পরিণত হত। বড় ক্ষতি তো বটেই, পরিবারের আরও বড় ক্ষতি হয়ে গেল।''
মোহনবাগানের সভাপতি দেবাশিস দত্ত বলেন, ''আমার সঙ্গে টুটুদার পরিচয় দীর্ঘদিনের। আমাদের সম্পর্কটা ছিল বন্ধুর মতো। আমার বাবাকে হারিয়েছি। সেই দিক থেকে বলতে গেলে টুটুদা, অঞ্জনদা ছিলেন আমার অভিভাবক। আজ আমি অভিভাবকহীন হলাম।''
বিধায়ক ববি হাকিম বলছেন, ''টুটুদা এমন একজন মানুষ, যিনি কোনওদিন মন খারাপ হয়ে বসে থাকতেন না। সব সময়ে হাসি-ঠাট্টা করতেন। প্রাণখোলা স্বভাবের মানুষ। টুটুদার মতো ব্যক্তিত্বের প্রয়াণ আসলে সমাজের বড় ক্ষতি।''
















