আজকাল ওয়েবডেস্ক: যাবতীয় বিতর্ক, ব্যর্থতার পরেও ক্রিকেটারদের পাশেই থাকলেন ইংল্যান্ডের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম।
অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টের পর ক্রিকেটারদের বিরতি দিয়েছিলেন ম্যাকালাম। যদিও ততদিনে অ্যাশেজ হেরে গিয়েছিলেন বেন স্টোকসরা। ওই বিরতিতে ইংল্যান্ড ক্রিকেটাররা ঘুরতে গিয়ে এতটাই মদ্যপান করেছিলেন যে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
এবার সেই বিতর্কে ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়ালেন ম্যাকালাম। গত বছর নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে নাইট ক্লাবে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন হ্যারি ব্রুক। তবুও সাদা বলের ক্রিকেটে হ্যারি ব্রুককে যেমন অধিনায়ক চান তিনি। তেমনই নিজের কাজের পদ্ধতিও বদলাতে চান না ইংল্যান্ড কোচ।
ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়ে ম্যাকালাম বলেছেন, ‘সত্যি বদলে আমাদের দলের অর্ধেকে মদ্যপানই করে না। কখনও সখনও হয়তো দুটো বিয়ার খায়। আমার তো মনে হয় বহু মানুষই এইটুকু পান করে।’ অর্থাৎ ম্যাকালাম বোঝাতে চাইছেন, ক্রিকেটাররা কেউ বাড়াবাড়ি করেননি। যদিও দু’টি বিতর্কেরই তদন্ত শুরু করেছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটমহলের অনেকেই মনে করছেন, ব্রুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে সাদা বলের ক্রিকেটে নেতৃত্ব হারাতে পারেন তিনি।
অ্যাশেজ সিরিজে ১–৪ হেরেছে ইংল্যান্ড। অনেকেই মনে করছেন এবার চাকরি যেতে পারে ম্যাকালামের। এত কিছু নিয়ে অবশ্য ভাবছেন না ম্যাকালাম। বলে দিচ্ছেন, ‘নিজের পদ্ধতিতে গভীর বিশ্বাস রয়েছে আমার। আমি ক্রিকেটের বিবর্তন এবং অগ্রগতির পক্ষে। সকলকে উৎসাহিত করি। একটা সিদ্ধান্ত নিতেই হয়।’
প্রসঙ্গত, সিরিজের মাঝে অস্ট্রেলিয়ার নুসায় ছুটি কাটাতে গিয়ে মত্ত বেন ডাকেটের ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। ডাকেট এতটাই মদ্যপান করেছিলেন যে হোটেলে ফেরার রাস্তাই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই প্রবল সমালোচিত হয় ইংল্যান্ড। দলের উপর কোচ এবং অধিনায়কের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। আবার সিডনিতে পঞ্চম টেস্ট হারের পর প্রকাশ্যে আসে ব্রুকের কুকীর্তি। গত বছরের ৩১ অক্টোবর নিউজিল্যান্ড সফরে থাকার সময় তৃতীয় একদিনের ম্যাচের আগের দিন রাতে একটি নাইট ক্লাবে গিয়েছিলেন ব্রুক। সঙ্গে ছিলেন জেকব বেথেল এবং গাস অ্যাটকিনসন। সেই রাতে তাঁকে ওই নৈশ ক্লাবে ঢুকতে দেননি নিরাপত্তারক্ষীরা। তাঁরা সন্দেহ করেন, ব্রুক মত্ত ছিলেন। ব্রুক মানতে চাননি। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন। তাঁদের মারতে উদ্যত হন। সে সময় এক নিরাপত্তারক্ষী ব্রুককে ঘুসি মারেন। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন ইংরেজ ব্যাটার।
