আজকাল ওয়েবডেস্ক: অসুস্থ প্রাক্তন ফুটবলার সুধীর কর্মকার। ৩ তারিখ থেকে তিনি ভর্তি একটি বেসরকারি হাসপাতালে। আপাতত তিনি স্থিতিশীল। তবে আরও কয়েকদিন তাঁকে থাকতে হবে হাসপাতালে। সুধীর কর্মকার কলকাতা ময়দানে লিখে গিয়েছেন রূপকথা। সেই রূপকথা বঙ্গজীবনের অঙ্গ হয়েই থেকে গিয়েছে।
১৯৭০ সালের ব্যাঙ্কক এশিয়ান গেমসে ভারত ব্রোঞ্জ পেয়েছিল ফুটবলে। সেই দলের সদস্য ছিলেন সুধীর কর্মকার।
সেই সময়ে জাপানের সেরা ফুটবলার ছিলেন কামামতো। সেই ম্যাচে কামামতোকে বোতলবন্দি করে রেখেছিলেন সুধীর কর্মকার। জনশ্রুতি এমনটাই বলে।
নইমউদ্দিনের সঙ্গে স্টপারে খেলেছিলেন সুধীর কর্মকার। সেই ম্যাচ প্রসঙ্গে সুধীর কর্মকার পরে বলেছিলেন, টিমলিস্ট দেখে তিনি অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। প্লেয়ার্স লিস্টে স্টপারের জায়গায় লেখা ছিল তাঁর নাম। সি প্রসাদের নাম লেখা ছিল না। পিকে ব্যানার্জি সুধীরকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন কামামতোকে শান্ত করার জন্য। সেই ম্যাচে সুধীর কর্মকার বোতলবন্দি করে রেখেছিলেন কামামতোকে।
সুধীর কর্মকারের খেলা দেখে তৎকালীন ফিফা প্রেসিডেন্ট স্ট্যানলি রাউস প্রশংসা করেছিলেন। দুই প্রধানের জার্সিতেও সুধীর কর্মকার এককথায় ছিলেন দুর্দান্ত। পঁচাত্তরের শিল্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল ৫-০ গোলে হারিয়েছিল মোহনবাগানকে। সেই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন সুধীর কর্মকার।
