আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইএসএলে টানা পাঁচ ম্যাচে হার। লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাবের খারাপ সময় আর কাটছে না। মঙ্গলবার ওড়িশা এফসি-র মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল এফসি। সবার নজর ব্রুঁজোর দিকে। এত অল্প সময়ে কি দলের হাল বদলাতে পারবেন নব্য স্প্যানিশ কোচ? 
 
মঙ্গলবারের ম্যাচ খেলতে ভুবনেশ্বর উড়ে যাওয়ার আগে সোমবার সকালে সাংবাদিকদের  অস্কার বলেন, ''এ পর্যন্ত আমি মাত্র দু’বার দল নিয়ে অনুশীলনে নামতে পেরেছি। তাও গতকাল সেইসব খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম, যারা ডার্বিতে খেলেনি। আজই প্রথম সবাইকে নিয়ে অনুশীলন করলাম। সবাইকে বুঝিয়েছি, দল এখন তাদের কাছে কী চায়। ওরা ধীরে ধীরে তা বুঝতেও পারছে বলে মনে হচ্ছে।'' 

এখন কী করা উচিত? অস্কার জানিয়েছেন, ''আমাদের আরও চাপ নিতে ও পালটা চাপ দিতে হবে। খেলায় আরও তীব্রতা বাড়াতে হবে। আরও সঙ্ঘবদ্ধ ফুটবল খেলতে হবে। রক্ষণ আরও শক্তিশালী করতে হবে। নিজেদের মধ্যে ব্যবধান আরও কমাতে হবে। এর আগের ম্যাচগুলোতে প্রতিপক্ষ মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আমাদের সমস্যায় ফেলে দিয়েছে, উইং দিয়ে আক্রমণ করে আমাদের রক্ষণে ফাটল ধরিয়েছে। এ বার আর তা হতে দেওয়া যাবে না। এ বার আমরা সফল হতে চাই। তবে তা কোচের পরিকল্পনার জন্য নয়, খেলোয়াড়দের দক্ষতার জন্য।'' 

দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা ইস্টবেঙ্গলের। ফুটবলারদেরই ঘুরে দাঁড়াতে হবে এখন।  ওড়িশা এফসি চারটি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জিতেছে। দু’টিতে হার ও একটিতে ড্র  করে  লিগ টেবিলের নীচের দিকেই রয়েছে। প্রতিপক্ষকে ভাল করে চেনেন ইস্টবেঙ্গলের নব্য কোচ। সেই সময়ে বসুন্ধরা কিংসের কোচ ছিলেন অস্কার। লাল-হলুদ কোচ বলছেন, ''গত বছর ঘরের মাঠে আমরা জিতেছিলাম। ওদের মাঠে একটা সেটপিস গোলের জন্য হেরে যাই। তাই ওদের শক্তি-দুর্বলতা কিছুটা হলেও জানি আমি। তখন ওদের নিয়ে চর্চা করেছিলাম, এবারেও করেছি। ওরা যথেষ্ট শক্তিশালী দল। ওদের বিদেশিরা উইং দিয়ে দ্রুত আক্রমণে ওঠে। গত ম্যাচেও এই ব্যাপারটা দেখেছি। তবে আমরা আমাদের মানসিকতা বদলে ভাল লড়াই করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।'' 

লাল-হলুদ ব্রিগেডের ফুটবলারদের মানসিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অস্কার বলছেন, ''টানা সাতটি ম্যাচে হারের পরে ফুটবলাররা শান্তিতে থাকতে পারে না। এটাই স্বাভাবিক। তাই দলের কেউ মানসিক ভাবে ভাল আছে বলে আমারও মনে হয় না।''