আজকাল ওয়েবডেস্ক: ওয়াংখেড়েতে বিজয়রথ। কে নেই সেখানে। ভিভিআইপি বক্সে বসে রয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। সঙ্গে স্ত্রী সাক্ষী। টিম ইন্ডিয়ার অন্দরে চাপ পড়তেই সাক্ষীর মুখে তার ছায়া পড়েছে। কিন্তু মাহি ললাট লিখন পড়ে ফেলেছিলেন। তাই ছিলেন একদম নিশ্চুপ। একবার তো স্ত্রীকে সামলেও নিলেন।
ভিভিআইপি বক্সে অতিরিক্ত উত্তেজনার মধ্যে ছিলেন। কিন্তু তাঁর স্বামী যখন ক্যাপ্টেন কুল তিনি তো সামলাবেনই, তাই না। সেটাই হল। মাঠে ছিলেন রোহিত তাঁর স্ত্রী ও।
এদিকে, ক্রিকেট অভিধানে একটি প্রবাদ আছে, ‘ক্যাচেজ উইন ম্যাচেজ’। বৃহস্পতি রাতে দুটো ক্যাচ পার্থক্য গড়ে দিল। এক, হ্যারি ব্রুকের ক্যাচ মিস। দ্বিতীয়, বাউন্ডারি লাইনে অক্ষর প্যাটেলের দুরন্ত ক্যাচ। এই দুটো মুহূর্ত ছাড়া দুই দলের মধ্যে বিশেষ পার্থক্য নেই। পাটা উইকেটে অত্যধিক রান দেয় দুই দলের বোলাররা। খেলার গতি প্রকৃতি দেখে মনে হয়েছিল, ম্যাচের তৃতীয় ওভারেই ইংরেজদের ভাগ্য লিখন হয়ে গিয়েছে। ২.২ ওভারে জোফ্রা আর্চারের বলে সঞ্জু স্যামসনের সহজতম ক্যাচ ফেলেন হ্যারি ব্রুক। ১৫ রানে ছিলেন ভারতীয় ওপেনার। সেই মুহূর্তেই যেন মুম্বই থেকে লন্ডনে ফেরার টিকিট কেটে ফেলেন জস বাটলাররা। আরব সাগরে ইংল্যান্ডের ভরাডুবির অপেক্ষা ছিল। কিন্তু থ্রি লায়ন্সদের শেষ বল পর্যন্ত লড়াইয়ে রেখে দেন জেকব বেথেল। ইনিংস ব্রেকে মনে হয়েছিল অনায়াসেই জিতবে ভারত। কিন্তু দুর্দান্ত লড়াই ইংল্যান্ডের। থুড়ি বেথেলের। মাত্র ৪৫ বলে শতরান। ইংল্যান্ডের হয়ে তৃতীয় দ্রুততম। শেষ ২ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৩৯ রান। কিন্তু ১৯তম ওভারে পার্থক্য গড়ে দেন হার্দিক। শেষ ওভারে রান নিতে গিয়ে ৪৮ বলে ১০৫ রানে রান আউট হন বেথেল। শেষ ইংল্যান্ডের জয়ের স্বপ্ন। ৭ রান জিতল ভারত।
