আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিতর্ক আর বাংলাদেশ ক্রিকেট যেন হাত ধরাধরি করে চলছে। রোজই কোনও না কোনও বিতর্ক দেখা দিচ্ছে। এবার বিতর্ক দেখা দিয়েছে নোয়াখালি এক্সপ্রেস দলের সহকারী কোচ নিয়াজ খানকে নিয়ে। অভিযোগ, তিনি নাকি একাধিক ক্ষেত্রে পরিচয় গোপন করেছেন এবং ভুল তথ্য দিয়েছেন। 
নিয়াজের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের একাধিক সংবাদপত্র প্রশ্ন তুলেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নিয়াজ নাকি জানিয়েছেন, তিনি এশিয়া কাপে আফগানিস্তান দলের সঙ্গে কাজ করেছেন। আফগানিস্তানে গিয়ে সেখানকার স্থানীয় প্রতিভা তুলে আনার কাজ করেছেন। যদিও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা সেই দাবি খারিজ করেছেন। এর পরেই নিয়াজের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে অ্যালেক্স মার্শালের নেতৃত্বাধীন ইন্টিগ্রিটি ইউনিট।


এক ক্রিকেট সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘‌এই ঘটনার ব্যাপারে বিসিবি–র ইন্টিগ্রিটি ইউনিট জানে। তা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তবে এটা গোপন বিষয় বলে বেশি মন্তব্য করা সম্ভব নয়।’‌ 


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের আইনজীবী মহীন এম রহমান বলেছেন, ‘‌দলের প্রধানের (মার্শাল) থেকে জেনেছি যে, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে।’‌ গত মরসুমে নিয়াজ যে ঢাকা ক্যাপিটালসের সঙ্গে কাজ করেছেন সে বিষয়টিও জানেন বলে দাবি করেছেন মহীন এম রহমান। তিনি বলেছেন, ‘‌আমি সে ব্যাপারে জানি। আরও কিছু যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।’‌ এদিকে, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেকার রহমান বলেছেন, ‘‌আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। দুটো বিষয়ের উপরে জোর দিয়েছি। ক্রিকেটারদের বেতন দিতেই হবে এবং প্রতিযোগিতার বিশুদ্ধতা বজায় রাখতে হবে। আমরা এ বিষয়ে কঠোর নীতি নিয়েছি। এই কারণেই অতীতে দলগুলো নাম তুলে নিয়েছে। আমাদের কাছে ব্যাপারটা বেশ যন্ত্রণার। এই বিষয়টা এবার একেবারে বন্ধ হওয়া উচিত বলেই মনে করি।’‌ 

এদিকে, ১১ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে ভারত–নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজ। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে জাতীয় দলের জার্সিতে হয়তো প্রত্যাবর্তন ঘটতে চলেছে মহম্মদ সামির। 


জাতীয় দলে এখন আর তিনি জায়গা পান না। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে শেষ বার খেলেছেন তিনি। ইংল্যান্ড সফরে জায়গা হয়নি তাঁর। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজেও তাঁকে দলে নেওয়া হয়নি। তাঁর ফর্ম ও ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।