আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্পষ্ট ছিল দেওয়াললিখন। সেই মতোই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না থাকলেও ম্যাচ পরিচালনায় থাকছে বাংলাদেশ। বাংলাদশের দুই আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত ও গাজী সোহেল থাকছেন আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্বে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে ৩০ সদস্যের ম্যাচ অফিসিয়ালের তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল।
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ক্রিকেট। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বাংলাদেশকে নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে।
ভারতের মাটিতে এসে বিশ্বকাপ খেলতে না চাওয়ায় বাংলাদেশের উপরে নেমে আসবে খাঁড়ার ঘা।
আইসিসি থেকে বার্ষিক আয় হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়ে গেল। বড় রকমের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে বাংলাদেশ। আইসিসি-র কাছ থেকে বার্ষিক প্রায় ৩৩০ কোটি ২১ লাখ টাকার রাজস্বের ভাগ সম্ভবত হারাতে চলেছে শাকিব আল হাসানের দেশ। আইসিসি থেকে বিসিবির বার্ষিক আয় আসে প্রায় ষাট শতাংশ। সেটা হয়তো হারাতে চলেছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে ২০২৮ সাল থেকে আগামী তিন বছরের বরাদ্দও কমিয়ে দিতে চলেছে আইসিসি।
সম্প্রচারস্বত্ব ও স্পনসরশিপেরও ক্ষতি হতে চলেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়ের একটা ভাল অংশ কিন্তু সম্প্রচারস্বত্ব ও স্পনসরশিপ থেকেই আসে। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে নেই। ফলে বিসিবি তো ক্ষতির মুখে পড়বেই। সেই সঙ্গে ক্ষতিসাধন করবে অফিসিয়াল সম্প্রচারকারী চ্যানেল। এই ক্ষতি পরিমাণ প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। এছাড়া অংশ নিলে যে অর্থ পাওয়া যায়, সেটা হারাবে বাংলাদেশ। প্রাইজমানিও পাবে না। এরকম একাধিক লাল চোখের সম্মুখীন বাংলাদেশের ক্রিকেট। তবে সেই দেশের ক্রিকেট দল বিশ্বকাপে না থাকলেও থাকবেন সেই দেশের আম্পায়াররা।
