আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপের প্রাক্কালে হুঁশিয়ারি কুইন্টন ডি ককের। বিধ্বংসী মেজাজে পাওয়া গেল বাঁ হাতি ওপেনারকে। দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বকালের টি-২০ রেকর্ড ভেঙে দিলেন। সেঞ্চুরিয়নে রুদ্ধশ্বাস ইনিংসে ফাফ ডু'প্লেসিকে ছাপিয়ে যান ডি কক। বৃহস্পতিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-২০ তে এই নজির গড়েন। সুপারস্পোর্ট পার্কে ৪৩ বলে শতরান করেন প্রোটিয়া তারকা। এই মারকুটে ইনিংস দক্ষিণ আফ্রিকাকে শুধু ৭ উইকেটে জয় এনে দেয়নি, বিশ্বকাপের ঠিক আগে বোলারদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়ে রাখলেন। শেষপর্যন্ত ৪৯ বলে ১১৫ রান করেন। ইনিংসে ছিল ১০টি ছয় এবং ৬টি চার।
দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের মধ্যে একনম্বরে ডি কক। ৪৩০ ম্যাচ খেলে ১২,১১৩ রান তাঁর। গড় ৩১.৪৬। স্ট্রাইক রেট ১৩৯.১০। তারমধ্যে রয়েছে ৮টি শতরান এবং ৮১টি অর্ধশতরান। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের মধ্যে ডি ককের থেকে কম বলে শতরান করেন ডেভিড মিলার এবং ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেন মিলার। গত বছর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৪১ বলে শতরান করেন ব্রেভিস।
এদিনের ইনিংসে একাধিকবার ইতিহাসের পাতায় নাম তোলেন ডি কক। টি-২০ তে দু'বার ২০০ রান তাড়া করে জয়ে শতরান পান। একবার ২৫০ রান তাড়া করে জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে যা সর্বোচ্চ। সেই ম্যাচেও শতরান ছিল ডি ককের। টি -২০ তে এক ইনিংসে ছক্কা মারার নিরিখে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারদের মধ্যে রেজা হেন্দ্রিকসের সঙ্গে যৌথভাবে দুই নম্বরে তিনি। বাঁ হাতি ব্যাটারের ছয়ের সংখ্যা ১০। ২০১২ সালে ১৩টি ছক্কা হাঁকিয়ে একনম্বরে রিচার্ড লেভি। এছাড়াও ডেভিড মিলার এবং রিলি রসুর পর তৃতীয় প্রোটিয়া ক্রিকেটার হিসেবে টি-২০ তে একাধিক শতরানের নজির গড়লেন। ছেলেদের টি-২০ ক্রিকেটে, উইকেটকিপার ব্যাটার হিসেবে সচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির মালিক তিনি। প্রোটিয়া তারকার নামের পাশে আটটি শতরান। কলিন মুনরোর পর দ্বিতীয় প্লেয়ার এবং প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার হিসেবে একই ভেন্যুতে একশো করার নজির গড়েন। এছাড়াও সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেটে চারবার ১৫০ রানের পার্টনারশিপে সামিল ডি কক। এদিন তাঁর দাপুটে ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ২-০ তে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা।
