আজকাল ওয়েবডেস্ক: একসময়ে বিরাট কোহলির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তিনি মাঠে নেমে লড়েছেন দেশের হয়ে। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যও বটে। সেই অজিতেশ আরগল এখন আম্পায়ারের টুপি মাথায় দিয়ে মহিলাদের আইপিএলের ম্যাচ পরিচালনা করছেন।
চলতি মহিলাদের আইপিএলে ২২ জানুয়ারির গুজরাট জায়ান্টস ও ইউপি ওয়ারিয়র্সের ম্যাচে তিনি আম্পায়ার ছিলেন। ২৪ জানুয়ারি এহেন অজিতেশ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন।
দেশের অন্যতম প্রতিশ্রুতিমান ফাস্ট বোলার ছিলেন অজিতেশ। ভোপালে জন্ম নেওয়া এই ক্রিকেটার ১০ বছর বয়স থেকে ক্রিকেট খেলা শুরু করেন। অনূর্ধ্ব ১৪ দলে মধ্যপ্রদেশের হয়ে তিনি খেলা শুরু করেন। পেসের থেকেও নিখুঁত নিশানায় বোলিংয়ের উপরে তিনি জোর দিয়েছিলেন সেই ছোটবেলা থেকেই। লাইন ও লেন্থ ঠিক রেখে বল করে অজিতেশ ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলেছেন। ২০০৮ সালে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন দলের হয়ে তিনি মালয়েশিয়া যান।
অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সদস্য অজিতেশ ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পাঁচ ওভারে সাত রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট নেন। ভারত সেই ম্যাচে ১২ রানে জিতেছিল। অজিতেশ আরগলের সেই বোলিং এখনও সবার স্মৃতিতে অটুট। ফাইনালের সেরা হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ক্রিকেট মাঝে মাঝে ক্রিকেটারদের নিয়ে যায় অন্য খাতে। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবে সই করেন অজিতেশ কিন্তু আইপিএলের একটি ম্যাচেও জায়গা পাননি। বরোদার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটেও তিনি শাখাপ্রশাখা বিস্তার করতে পারেননি।
#WATCH | WPL 2025: Harmanpreet Kaur Fined for Dissent
— Benefit News 24 (@BenefitNews24)
MI skipper Harmanpreet Kaur caught in a heated exchange with umpire Ajitesh Argal & Sophie Ecclestone after MI was penalized for a slow over rate!
She has been fined 10% of her match fees for dissent.
Read More:… pic.twitter.com/RpFW0Hdf46Tweet by @BenefitNews24
১০টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেন, ৬টি টি-টোয়েন্টি ও তিনটি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেন। ২৯টি উইকেট নিয়েছিলেন অজিতেশ। ২০১৫ সালে মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে তিনি শেষবার খেলেছিলেন। ২০০৮ বিশ্বকাপে প্রতিশ্রুতি জাগানো ক্রিকেটার ধীরে ধীরে মুছে যান ভারতীয় ক্রিকেট থেকে। ক্রিকেট থেকে সরে গিয়ে অজিতেশ আয়কর দপ্তরের বড় অফিসার হয়ে যান। ২০২৩ সালে বিসিসিআই-এর আম্পায়ারিং পরীক্ষায় পাশ করেন তিনি। নতু এক অধ্যায় শুরু করেন। অন ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে তিনি কাজ শুরু করেন। তিনটি প্রথম শ্রেণির, নটি লিস্ট এ গেমের পাশাপাশি ২১ টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আম্পায়ারিং করেন। রঞ্জি ট্রফি, বিজয় হাজারে ট্রফির পাশাপাশি সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি, অস্ট্রেলিয়া এ সিরিজেও তিনি আম্পায়ারিং করেন।
