সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ খেলে বা নির্দিষ্ট কোনও ইনজেকশন নিলে, ট্যাটু করানোর এক বছরের মধ্যে রক্ত দেওয়া যায় না। এমনকী যাঁরা রক্তাল্পতায় ভোগেন তাঁরাও রক্ত দিতে পারেন না। এই তালিকায় আরও কিছু মানুষ আছে। ছবি- সংগৃহীত
2
6
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে যে এফিডেফিট জমা দেওয়া হয়েছে সেখানে তাদের তরফে জানানো হয়েছে রূপান্তরকামী, যৌনকর্মী এবং সহকামীদের যেন রক্তদান থেকে বিরত রাখা হয়। কারণ হিসেবে তাঁরা এক এক্সপার্ট কমিটির রিপোর্ট প্রদর্শন করেছে। ছবি- সংগৃহীত
3
6
সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, রূপান্তরকামী, যৌনকর্মী এবং সহকামীদের রক্তদান থেকে বিরত রাখা হয় তাঁদের বাকি সমাজের থেকে আলাদা করার জন্য নয়। কোনও ভেদাভেদ করার জন্য নয়। তাহলে? এর নেপথ্যে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ এবং বৈজ্ঞানিক তথ্য রয়েছে। ছবি- সংগৃহীত
4
6
সাধারণ নাগরিকদের তুলনায় এঁদের মধ্যে ৬ থেকে ১৩ গুণ বেশি এইচআইভি ও, হেপাটাইটিস, ইত্যাদির মতো রোগ দেখা যায়। আর এই রোগ যে সংক্রামক সে তো জানা কথাই। ছবি- সংগৃহীত
5
6
যিনি রক্ত দিতে ইচ্ছুক তার থেকে যাকে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে তার প্রাণ এবং নিরাপত্তা দুই বেশি প্রয়োজনীয়। আর এটি যেহেতু নাগরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত তাই সেটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। ছবি- সংগৃহীত
6
6
হেলথ ডিপার্টমেন্টের ২০২০-২১ এর রিপোর্ট অনুযায়ী এইচআইভি সংক্রমণের সংখ্যা রূপান্তরকামী, যৌনকর্মী এবং সহকামীদের মধ্যে সাধারণ প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকদের তুলনায় ৬ থেকে ১৩ গুণ বেশি। ছবি- সংগৃহীত