আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ চোট লুকিয়ে টি–২০ বিশ্বকাপ খেলেছেন বাবর আজম ও ফখর জামান!‌ এমনটাই অভিযোগ উঠছে। এই প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন স্বয়ং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের হাই পারফরম্যান্স ডিরেক্টর ও নির্বাচক আকিব জাভেদ। বিশ্বকাপের পরপরই দুই ক্রিকেটারের চোটের বিষয়টা প্রকাশ্যে আসায় গোটা ঘটনায় তদন্ত দাবি করেছেন আকিব।


সাংবাদিক সম্মেলনে আকিব বলেছেন, শুধু বাবর নন, ফখরও চোট পেয়েছে। যা বেশ ধোঁয়াশার। আমি গোটা ঘটনায় তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।


বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে খেলছেন না বাবর ও ফখর। আগে জানা গিয়েছিল, বাবর নাকি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাবেন বলে খেলতে চাননি। পরে জানা যায়, তাঁর চোট র‌য়েছে। ফখরের বিষয়টিও তাই। 


বিষয়টি বেশ সন্দেহজনক লেগেছে আকিবের। কারণ আচমকা এই চোট লাগার কারণ কী। তাহলে কী দুই ক্রিকেটার চোট লুকিয়ে বিশ্বকাপ খেলেছিলেন?‌ আকিব বলেছেন, ‘‌ফখরও চোট পেয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে বলব বিষয়টির তদন্ত করতে। দুই ক্রিকেটারের একসঙ্গে এভাবে চোট লাগল?‌ বিশ্বকাপের পরেই বিষয়টি আচমকা প্রকাশ্যে এল। এটাই সবচেয়ে অদ্ভুত লাগছে।’‌


আকিব আরও বলেছেন, ‘‌বিশ্বকাপের সময় দুই ক্রিকেটার সম্পূর্ণ ফিট ছিল তো?‌ আমরা নির্বাচক। আমাদের এই বিষয়গুলো জানা দরকার। ক্রিকেটারদের চোটের বিষয়ে দলের কোচ, ফিজিওর কাছে তথ্য থাকে। আমরা সেটা জানতে চাই।’‌ আকিব এটাও বলেছেন, কোচ ও অধিনায়কের সঙ্গে কথা বলেই দল ঘোষণা করা হয়। এরপরই আকিবের প্রশ্ন, সেক্ষেত্রে বাবর ও ফখরের বিষয়ে কোচের কাছে তথ্য থাকা উচিত। যা জানতে চান তাঁরা। 

এদিকে, বাংলাদেশ–পাকিস্তান ম্যাচে তৈরি হল বিতর্ক। একটা রান আউটকে কেন্দ্র করে শিরোনামে চলে এল বাংলাদেশ–পাকিস্তান ওয়ানডে ম্যাচ। ব্যাট করছিলেন মহম্মদ রিজওয়ান ও সলমন আলি আঘা। দুই ব্যাটার পাকিস্তান ইনিংসকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৩৯–তম ওভারেই ঘটে সেই বিতর্কিত ঘটনা। 


বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ ওভার করছিলেন। তাঁর ওভারের চতুর্থ ডেলিভারিতে রিজওয়ানের নেওয়া শট মিরাজের দিকে এলে তিনি পা দিয়ে সেটি থামানোর চেষ্টা করেন। বল পুরোপুরি থামেনি, ঠিক সেই সময়ে নন–স্ট্রাইক এন্ডে থাকা পাক ব্যাটার সলমন আলি আঘা ক্রিজের বাইরে থেকেই বলটি হাতে নেওয়ার চেষ্টা করেন।


বলটা ধরার জন্য মিরাজ ও সলমন আলি আঘা একযোগে চেষ্টা করেন। মিরাজ বল হাতে নিয়ে তা উইকেট ভেঙে দেন। স্টাম্প ভেঙে দেন তিনি। রান আউটের আবেদন করেন মিরাজ। 


তৃতীয় আম্পায়ার রিপ্লে দেখে আউট ঘোষণা করেন আঘাকে। আম্পায়ারদের ব্যাখ্যা বল ‘‌ডেড’‌ ঘোষণা হয়নি তখন। সলমন আলি আঘা ক্রিজের বাইরে ছিলেন। 


সলমন আলি আঘা অবশ্য ক্ষোভপ্রকাশ করতে থাকেন। সলমন আলি আঘা ড্রেসিংরুমে ফেরার সময়ে ক্ষোভপ্রকাশ করতে থাকেন। বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার লিটন দাসের সঙ্গে কথা কটাকাটি হয় সলমন আলি আঘার। 

‌‌

 

 

 

 

‌‌