বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুমনা চক্রবর্তী সম্প্রতি জানিয়েছেন তাঁর এন্ডমেট্রিওসিস সার্জারি হয়েছে। গত ৪ জুলাই এই সার্জারি হয়েছে তাঁর। দীর্ঘদিন এই রোগ বয়ে বেড়িয়েছেন। কিন্তু বিষয়টা ঠিক কী?
এন্ডমেট্রিওসিস একটি ক্রনিক রোগ যেখানে ইউটেরাসের ভিতর যেমন টিস্যু থাকে, তেমন টিস্যু তার বাইরেও জন্মায়। এটি মূলত ওভারি, ফ্যালো পিয়ান টিউব, পেলভিক লাইনিং এবং কখনও কখনও ব্ল্যাডারে দেখা যায়। আর ইউটেরাসের মতোই এই টিস্যুগুলোও পিরিয়ডের সময় মহিলাদের শরীরে যে হরমোনাল পরিবর্তন হয় তাতে রিয়াক্ট করে। এর ফলে প্রদাহ বাড়ে, ব্যথা হয়।
এন্ডমেট্রিওসিসের লক্ষণ কী? তলপেট ব্যথা হবে অসম্ভব, পিরিয়ডের সময় ক্র্যাম্প হবে মারাত্মক। ব্লিডিং বেশি হবে। যৌন মিলনের সময় বা পরে ব্যথা হবে। মূত্র বা মলত্যাগের সময় ব্যথা হবে। সারাক্ষণ গা গোলানো, বমি ভাব, মাথা ব্যথার মতো লক্ষণ দেখা দেবে। বন্ধ্যাত্ব পর্যন্ত হতে পারে এটির কারণে। আবার কখনও কখনও কারও ক্ষেত্রে কোনও লক্ষণ থাকেই না।
চিকিৎসা কী? প্রাথমিক ভাবে ওষুধ দিয়ে ব্যথা কমানোর চেষ্টা করা হয়। হরমোনাল চিকিৎসাও করানো হয় যাতে এন্ডমেট্রিওসিস টিস্যুর বৃদ্ধি আটকানো যায়। যখন এগুলোর কোনটায় কিছু হয় না, তখন সার্জারি প্রয়োজন। তবে সার্জারি করেছেন মানে আর কখনই এটা হবে না, সেটা নয়। এন্ডমেট্রিওসিস আবারও হতে পারে।
এন্ডমেট্রিওসিস মূলত চারটি স্টেজে হয়। সুমনা চক্রবর্তী যেমন চতুর্থ স্টেজে গিয়ে অপারেশন করালেন। সিস্ট দিয়ে বিষয়টা শুরু হয়। তারপর বাড়তে থাকে। এটি ডিম্বাণুর মান খারাপ করে। পেলভিক অ্যানাটমি নষ্ট করে।















