আজকাল ওয়েব ডেস্ক: বাজার থেকে কেনার একটা দিন যেতে না যেতেই গরমে মজে গিয়েছে সেই কলা। হলুদ খোসাতে কালচে-খয়েরি ছোপ দেখে নাক শিঁটকে ওঠে অনেকের। তবে কলা অতিরিক্ত পেকে গিয়েছে বলে তো ফেলেও দেওয়া যায় না। অনেকে প্যানকেক, মালপোয়া তৈরি করে মজা কলার সদগতি করেন। কিন্তু আদৌই কি পাকা কলা খাওয়া উচিত? পাকা কলা খাওয়ার আগে এই বিষয়ে জেনে নিন।
কলা পুষ্টিকর খাবার। ফাইবার, ভিটামিন সি, পটাসিয়াম সহ বিবিধ স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর কলা। তবে পাকা কলার সঙ্গে অতিরিক্ত পাকা কলার ঠিক কী পার্থক্য রয়েছে? রং অনুযায়ী বৈশিষ্ট্য জেনে নেওয়া যাক। যেমন কাঁচা কলা হল সবুজ যা ততটা মিষ্টি হয় না। পাকা কলার রং হয় হলুদ, কলার রং হলুদ হলে সেটি মিষ্টি এবং স্বাদযুক্ত হতে শুরু করে। কলার রং বাদামী হলে বুঝতে হবে সেটি অতিরিক্ত পেকে গিয়েছে। এই ধরনের কলা খুব বেশি মিষ্টি হয় এবং সুগারের পরিমাণ বেশি থাকে।
সাধারণত পাকা এবং অতিরিক্ত পাকা কলা প্রায় একই। দুই ধরনের কলার মধ্যেই পটাসিয়াম, ফাইবার এবং ভিটামিন সি থাকে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অতিরিক্ত পাকা বা মজা কলা বেশি মিষ্টি হয়। কারণ এই ধরনের কলার মধ্যে থাকা স্টার্চ সরল শর্করায় পরিণত হয়। যা খেলে ব্লাড সুগারের মাত্রা বাড়তে পারে। এও দেখা গেছে, ফাইবার এবং সুগার পুষ্টিতে প্রভাব ফেলে। অন্য একটি সমীক্ষায় ধরা পড়েছে, কলার রং সবুজ থেকে হলুদ হতে শুরু করলেই ফাইবারের মাত্রা কমতে থাকে।
তাহলে কি অতিরিক্ত পাকা কলা খাওয়া ভাল? সাধারণত পাকা কলা খাওয়া নিরাপদ। তবে গবেষণায় দেখা দিয়েছে, কলা যখন পচে যাওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন তাতে কিছু ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। তাই অতিরিক্ত পাকা কলা খেলে তার অতিরিক্ত ফাইবার উপাদানের জন্য বমি, পেট ফাঁপা সহ পেটের সমস্যা হতে পারে।
কখন কলা একেবারে খাওয়া উচিত নয়? কলার খোসার রং যখন পুরোপুরি বাদামী হয়ে যায় এবং পচা গন্ধ বেরোয়, তখন সেটি খাওয়া উচিত নয়। এছাড়াও কলা থেকে যদি কোনও তরল পানীয় বেরোয় তাহলে বুঝতে হবে সেটি অতিরিক্ত পেকে গিয়েছে।
















