ত্রিশের পর থেকেই ধীরে ধীরে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। কখনও বলিরেখা, কখনও ফাইন লাইন্স, চামড়া কুঁচকে যাওয়ার মতো সমস্যা উঁকি দেয়। তবে আপনি চাইলেই কিন্তু ঘড়ির কাঁটা উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দিতে পারেন। ত্বকের বয়স কমাতে পারেন। আর এসবই হতে পারে রান্নাঘরের এই সহজ উপাদান দিয়েই। কী সেটা? ডাবের জল।
ডাবের জল শরীরকে আর্দ্র রাখতে ভীষণভাবে সাহায্য করে। এতে ভরপুর খনিজ পদার্থ রয়েছে। এই প্রাকৃতিক উপাদান খেলেই ত্বকের বয়স বাড়া রোধ হবে। ধীর গতিতে বাড়বে ত্বকের বয়স। আপনার বায়োলজিক্যাল এজের তুলনায় কম বয়সি দেখাবে।
ডাবের জলে রয়েছে ভরপুর ইলেক্ট্রোলাইটস, ভিটামিন সি, সাইটোকাইনিনস, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এগুলো ত্বক থেকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের লক্ষণ কমায়। আর এই অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কিন্তু অন্যতম কারণ যার ফলে ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে। ডাবের জলে প্রাকৃতিক ভাবে থাকা সাইটোকাইনিনস অ্যান্টি এজিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি সঠিকভাবে কোষ বিভাজনে সাহায্য করে।
ডাবের জলে থাকা ইলেক্ট্রোলাইটস ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি জোগায়, আর্দ্র রাখে। এতে ত্বকের কমনীয়তা, নমনীয়তা বজায় থাকে। ত্বক নির্জীব, নিষ্প্রাণ দেখায় না।
ডাবের জলে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফ্রি র্যাডিকেল ক্ষতি রোধ করে প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। রক্ত সঞ্চালনে সাহায্যবকরে, কোলাজেন স্টেবিলিটি বজায় রাখে। ফলে আপনার ত্বক থাকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। প্রাণবন্ত এবং অল্প বয়সি দেখায়।
২০১৬ সালে প্রকাশিত হওয়া জার্নাল অফ মেডিক্যাল ফুডেও বলা হয়েছে ডাবের জলে থাকা সাইটোকাইনিনস এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় এবং বার্ধক্যের ছাপ পড়তে দেয় না ত্বকে। ফলে অল্প বয়সি, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক প্রাকৃতিক ভাবে পেতে চাইলে নিয়মিত ডাবের জল পান করুন।
