দীর্ঘ ট্রেনযাত্রায় ভালো ঘুম হওয়া অনেকটাই নির্ভর করে আপনি কোন বার্থে শুয়েছেন তার উপর। কেউ সবসময় আপার বার্থ পছন্দ করেন, কিছুটা কোলাহল এড়ানোর জন্য৷ আবার কেউ লোয়ার বার্থে থাকতেই পছন্দ করেন৷ ভাল ঘুমের জন্য কোনটা বেছে নেবেন?
আপার বার্থ ও লোয়ার বার্থ, এই দুটির ক্ষেত্রেই কিছু সুবিধা আর কিছু অসুবিধা আছে৷
আপার বার্থের সুবিধা
১. আপার বার্থে ব্যক্তিগত জায়গা বা পার্সোনাল স্পেস বেশি পাওয়া যায়৷ অন্য যাত্রীরা সহজে বিরক্ত করেন না।
২. লোয়ার বার্থের পাশে অনেক সময় আলো জ্বলে বা যাত্রীরা চলাফেরা করেন। আপার বার্থে এই সমস্যা থাকে না তাই ঘুম ভাল হতে পারে৷
৩. দিনের বেলায় অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে হয় না আপার বার্থ৷ লোয়ার বার্থ অনেক সময় দিনের বেলা যাত্রীদের বসার জায়গা হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
৪. আপার বার্থ উপরে থাকায় কোচের শব্দ ও যাত্রীদের চলাফেরা কম অনুভূত হয়, তাই অনেকেই নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের জন্য আপার বার্থ পছন্দ করেন।
লোয়ার বার্থের সুবিধা কী কী
১. লোয়ার বার্থে উঠতে মই ব্যবহার করতে হয় না। তাই দীর্ঘ ভ্রমণে এটি অনেকের কাছে বেশি আরামদায়ক মনে হয়।
২. রাতে বাথরুমে যাওয়া বা কিছু দরকার হলে লোয়ার বার্থ থেকে ওঠা-নামা অনেক সহজ।
৩. বয়স্ক মানুষ আর শিশুদের ক্ষেত্রে লোয়ার বার্থে জার্নি করা সুবিধাজনক৷
৪. লোয়ার বার্থে থাকলে নিজের লাগেজ নিজের কাছেই থাকে। ফলে ব্যাগপত্র দেখাশোনা করা সহজ হয়।
যদি আপনার প্রধান লক্ষ্য থাকে ভাল ঘুম, তাহলে আপার বার্থ বেশি আরামদায়ক। কারণ সেখানে আলো, যাত্রীদের কথাবার্তা ও চলাফেরার শব্দ কম থাকে৷ তবে সহজে ওঠানামা করতে চাইলে লোয়ার বার্থই ভাল।
