ইরান ইজরায়েল সংঘাতের কারণে আর মিলবে না মশলা ধোসা? শুরু জোর জল্পনা। ভাবছেন ব্যাপারটা কী? চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারে। 

বেঙ্গালুরুর জনপ্রিয় ব্রেকফাস্ট জয়েন্ট হল বিদ্যার্থী ভবন। এখানে ক্রেতাদের ভিড় সারাদিন লেগে থাকে। একদম সাত সকাল থেকে রাত অবধি ভিড় চলে। একের পর এক প্লেট ধোসা তৈরি করে চলেন রাঁধুনিরা। কিন্তু এই সপ্তাহে এই দোকানে অত ভিড় দেখা যাচ্ছে না। তবে কি বাণিজ্যিক এলপিজির ঘাটতি কারণ?

সূত্রের খবর অনুযায়ী এই রেস্তোরাঁর তরফে জানানো হয়েছে মার্চের ৯ তারিখ থেকে যেহেতু এলপিজির সরবরাহ একধাক্কায় হঠাৎ অনেকটা কমানো হয়েছে তাই এই দোকানেও খাবারের পরিমাণ কমানো হয়েছে। শুধু এই দোকানটি নয়,অন্যান্য একাধিক দোকান তাদের বরাদ্দ জ্বালানি গ্যাসের মাত্র ২০ শতাংশ করে পেয়েছে। আর সকলেই জানেন জ্বালানি গ্যাসের উপরেই এই রেস্তোরাঁ, ক্যাফেগুলো নির্ভরশীল তাই হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে চাপের মুখে তারা। 

ফলে বলাই যায়, ইরান ইজরায়েল সংঘাতের কারণে পছন্দের খাবার নাও পেতে পারেন। বা রেস্তোরাঁ যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে অন্তত যতদিন না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে।

প্রসঙ্গত মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির আঁচ লাগতে পারে ভারতেও। ইরান ইজরায়েলের সংঘাতের মাঝে আশঙ্কা করা হচ্ছে গ্যাসের সাপ্লাইয়ে ঘাটতি হওয়ার। ইতিমধ্যেই ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় ৬০ টাকা বেড়েছে। শনিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ৯৩৯ টাকা হয়েছে। কিন্তু যদি, সত্যি সত্যিই গ্যাসের ভাঁড়ারে টান পড়ে, তবে কি আর গ্যাস পাওয়া যাবে না? কী জানাল কেন্দ্র?

বর্তমান সময়ে গ্যাস বুকিং করা যাবে। কিন্তু আগামী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ২১ দিনের মধ্যে একাধিক সিলিন্ডার বুক করা যাবে না। কিন্তু সে তো বর্তমান সময়ে। যদি অবস্থার আরও অবনতি হয়। গ্যাসের ঘাটতি দেখা যায় তাহলে? কারা গ্যাস আগে পাবেন, আর কারা নয়? নাগরিকদের রোজকার জীবনের সঙ্গে যে। জেবিষয়গুলো যুক্ত তাতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হবে না বলেই মোদি সরকার জানিয়েছে।তাহলে কোন বিষয়ে গ্যাসের সরবরাহ কমতে পারে? হোটেল শিল্পের উপর কোপ পড়বে। হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে যদি বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ কমে, তাহলে বেঙ্গালুরু সহ একাধিক বড় বড় শহরে হোটেল বন্ধ করে দেওয়া হতে পরে। এমনকী শিল্প ক্ষেত্রেও তেল সরবরাহ কমবে। চা শিল্পে গত ৬ মাসে যত তেল লেগেছে তার ৮০ শতাংশ পর্যন্ত তেল সরবরাহ করা হবে।