আজকাল ওয়েব ডেস্ক: আর্লি টু বেড অ্যান্ড আর্লি টু রাইজ, মেকস এ ম্যান হেলদি ওয়েলদি অ্যান্ড ওয়াইজ।’ ছোটবেলা থেকে একথা আমরা শুনে এসেছি। কিন্ত বাস্তবে কতজনই বা মনে রাখি! রোজই ঘুম থেকে ওঠার সময় চোখ যে আর খুলতে চায় না! নেপথ্যে কর্মজীবনের বিভিন্ন শিফট, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় দেওয়া কিংবা ওয়েব সিরিজের হাতছানির মতো বিভিন্ন কারণ। এদিকে দেরিতে উঠলে শুধুমাত্র যে সারাদিনের কাজের এনার্জি চলে যাচ্ছে তাই নয়, মস্তিষ্ক ঠিক মতো সচল থাকার জন্য পরিমিত ঘুমেরও অভাব হচ্ছে। তাই দিনভর টগবগে থাকতে সাতসকালে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন।  

কথায় বলে, মানুষ অভ্যাসের দাস। চাইলেই অভ্যাস বদলানো যায়, যেমন দেরিতে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাসও যে কেউ চাইলেই পরিবর্তন করতে পারেন। যার জন্য প্রাত্যহিক জীবনের রুটিনে কিছু সামান্য এদিক ওদিক করতে হবে। আর সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস পরিবর্তনটা খুব কঠিন কিছু নয়। কয়েকটি নিয়ম অবলম্বন করলেই সকালে দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা যায়। যেমন-

আপনি যখন ঘুম থেকে উঠবেন বলে ঠিক করবেন ঠিক তার থেকে অন্তত ৭ ঘন্টা আগে ঘুমোতে যান। ঘুমানোর এক ঘন্টা আগে মোবাইল, টিভি, ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না।

রাতে হালকা ডিনার করুন। ঘুমানোর অন্তত এক ঘন্টা আগে রাতের খাবার খান এবং তারপরে হাঁটাহাঁটি অথবা একটু ব্যায়াম করে নিতে পারেন। এতে খাবার সহজে হজম হবে।

যারা বাড়িতে থাকেন তারা দুপুরে অনেকক্ষণ ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করুন। 

পরদিন কী কী কাজ করা হবে, সেটা ঘুমাতে যাওয়ার অনেক আগেই ঠিক করে নিন।

সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার জন্য কোনও মতেই ঘুমের সময়ের সঙ্গে আপস করা যাবে না। অর্থাৎ রাত ২টোয় ঘুমিয়ে ৫ টায় উঠে পড়া চলবে না। কারণ একজন মানুষের স্বাভাবিকভাবে ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। পাশাপাশি রোজ একই সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। এতে ঘুম সহজে আসবে এবং সকালে তাড়াতাড়ি উঠতেও পারবেন।