ত্বকে দাগছোপ, রোদে পোড়া কালচে ভাব বা ঠোঁটের কালো রং-এই সমস্যাগুলো অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। বাজারে নানা ধরনের ক্রিম ও সিরাম থাকলেও যুগ যুগ ধরে মানুষের ভরসা ঘরোয়া টোটকা। যার মধ্যে অন্যতম বিট। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ব্যবহার করলে বিট ত্বকের পিগমেন্টেশন কমাতে ও স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করতে পারে।

বিটে রয়েছে ভিটামিন সি, আয়রন, ফলেট ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এই উপাদানগুলো ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামত করতে এবং নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে। ফলে ত্বক ধীরে ধীরে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল দেখায়। বিশেষ করে যাদের মুখে ব্রণর দাগ, রোদে পোড়া দাগ বা মেলাজমার সমস্যা আছে, তারা বিটের রস ব্যবহার করে উপকার পেতে পারেন।

মুখের দাগ কমাতে কীভাবে ব্যবহার করবেন?

একটি টাটকা বিট ভাল করে ধুয়ে কুরে নিয়ে রস বের করে নিন। সেই রস তুলোর সাহায্যে দাগযুক্ত জায়গায় লাগান। ১৫–২০ মিনিট রেখে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩–৪ দিন ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে ফল মিলতে পারে। 

ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করতেও বিট বেশ কার্যকর। বিটের রস সরাসরি ঠোঁটে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ঠোঁটের স্বাভাবিক গোলাপি আভা ফিরে আসতে পারে। চাইলে বিটের রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়, এতে ঠোঁট নরম থাকে।

এছাড়া বিটের রসের সঙ্গে দই বা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানানো যায়। এই প্যাক ত্বককে আর্দ্র রাখে এবং ট্যান কমাতে সাহায্য করে। যাদের ত্বক শুষ্ক, তারা সপ্তাহে এক-দু’বার এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

যাদের ত্বক বেশি সংবেদনশীল, তারা আগে হাতে অল্প করে লাগিয়ে প্যাচ টেস্ট করে নেবেন। কোনও রকম জ্বালা বা অ্যালার্জি হলে ব্যবহার বন্ধ করা উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু বাইরের যত্নই নয়, ভেতর থেকেও ত্বক ভাল রাখা জরুরি। তাই বিট স্যালাড হিসেবে খান।