আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটে হেরেছেন। তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, ২৬-এর বিধানসভা ভোটে নিজের কেন্দ্রেও জিততে পারেননি। ভরাডুবি হয়েছে তাঁর মা-মাটি-মানুষের 'তৃণমূল'-এর। তৃণমূল স্তরেও দল হেরেছে নির্মম ভাবে। তারপর থেকেই তৃণমূলের বহু নেতারাও আবার দল নিয়ে, আই-প্যাক এবং অভিষেকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন  তুলছেন। যদিও দলনেত্রী সাফ বার্তা দিয়েছেন, 'রাস্তাই রাস্তা দেখাবে'। সকল বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে একজোট হওয়ার ডাকও দিয়েছেন। পরপর বৈঠকেও বসছেন মমতা-অভিষেক।

এসবের মাঝেই, মঙ্গলে সামনে এল মমতা ব্যানার্জির লেখা একটি কবিতা। এর আগেও বিপুল লেখালিখি করেছেন তিনি। বই বেরিয়েছে। সেই বই নিয়ে নিজে আলোচনাও করেছেন একাধিকবার। তবে ভোটে হারার  পর, এই প্রথম প্রকাশ্যে এল তাঁর লেখা।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ঘুরে দাঁড়ানোর যে বার্তা দলনেত্রী দিচ্ছেন, সেকথাই কবিতার আকারে আরও একবার সামনে আনলেন। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মনে বিশ্বাস জাগাতে, ভরসা জাগাতে চাইলেন কয়েক লাইনের মাধ্যমেই। 

ইংরেজিতে মমতা যা লিখেছেন, তার অর্থ পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, থাকতে হবে সাহসী, শক্তিশালী হয়ে। ভরসা রাখতে হবে। পরিস্থিতি ঘুরবেই। জয় আসবেই। মমতার লেখার অর্থ- নিজের মধ্যে বিশ্বাস থাকলে, কেউ ছুঁতেও পারবে না। নিজের ভিতরের শক্তিকে, ধরে রাখুন নিজের মধ্যেই। যাঁরা ভীরু-কাপুরুষ, তাঁরা আসলে তাই। কিন্তু প্রকৃত শক্তিশালী যাঁরা, তাঁরা আঘাতের সামনে দাঁড়ান হাসি মুখে। সঙ্গেই জীবন-মৃত্যুর আমোঘ সত্যের উল্লেখ  করে মমতা লিখেছেন, দুনিয়ায় এসেছ একা,যেতেও হবে একা। ভাল কাজ থেকে যাবে সারাজীবন। শয়তানরা চিরস্থায়ী নয়। জয় আসবেই, ভরসা থাকুক।