আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুধবারেই জানা গিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসন সরাসরি শর্ত দিয়েছে ভেনেজুয়েলাকে, চার দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। তালিকায় চীন, রাশিয়া, ইরান। একইসঙ্গে শর্ত দেওয়া হয়েছে, তেল সংক্রান্ত যে কোনও ব্যবসা ভেনেজুয়েলা কেবল আমেরিকার সঙ্গেই করবে। সূত্রের খবর তেমনটাই। তারপরেই একাধিক সর্বভারতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে অপর এক তথ্য সামনে এসেছে। তথ্য, ভেনেজুয়েলা যোগের কারণে, রাশিয়ার পতাকা লাগানো একটি তেলের ট্যাঙ্কারকে মাঝ সমুদ্রে ধাওয়া করে মার্কিন বাহিনী।লম্বা সময়য় ধরে ধাওয়া করার পর, ওই ট্যাঙ্কারটিকে আটক করা হয়েছে বলেও তথ্য প্রতিবেদন লেখার সময়য় পর্যন্ত। 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আটলান্টিক মহাসাগর জুড়ে দু'সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অভিযান চালানোর পর, বুধবার ভেনেজুয়েলার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি রাশিয়ান পতাকাবাহী তেল ট্যাঙ্কার আটক করার চেষ্টা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অপর এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বিস্তর ধাওয়া করার পর, ওই তেল ট্যাঙ্কারকে আটকও করা হয়েছে। 

মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইউরোপীয় কমান্ড সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল এক্স-এ ঘটনা প্রসঙ্গে একটি বিবৃতি পোস্ট করে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিচার বিভাগ, স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ এবং প্রতিরক্ষা বিভাগ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের জন্য ট্যাঙ্কারটি আটক করেছে।

তাতে লেখা হয়েছে, 'এই আটক পশ্চিম গোলার্ধের নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ মনে করা জাহাজগুলিকে লক্ষ্য করে @POTUS ঘোষণাকে সমর্থন করে। @DeptofWar-এর সহায়তায় DHS উপাদানগুলি দ্বারা এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল, যা সুরক্ষার জন্য একটি সম্পূর্ণ-সরকারি পদ্ধতি প্রদর্শন করে।' 

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারক আরটি দু'টি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে একটি হেলিকপ্টার ট্যাঙ্কারের দিকে এগিয়ে আসছে এবং জানিয়েছে যে একটি অভিযান চলছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা কিছুক্ষণ আগেই জানিয়েছিল, মার্কিন বাহিনী ওই ট্যাঙ্কারে ওঠার চেষ্টা করছে। 

জানা গিয়েছে, ওই তেলের ট্যাঙ্কারের নাম বেলা-১। ওই ট্যাঙ্কারটি ২০২৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। পরে এর নাম পরিবর্তন করে মারিনেরা রাখা হয়েছিল। এটি ইরান থেকে ভেনেজুয়েলায় যাচ্ছিল। তবে, ভেনেজুয়েলার জলসীমার কাছে চলাচলকারী নিষেধাজ্ঞা-আক্রান্ত তেল ট্যাঙ্কারগুলিকে আটক করার জন্য মার্কিন অবরোধ এড়াতে এটি গতিপথ পরিবর্তন করে আটলান্টিকে ফিরে যাওয়ার কথা জানা যায়।