আজকাল ওয়েবডেস্ক: পৃথিবী প্রতিটি সময়তেই পরিবর্তনশীল। সেখানে ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে বিরাট প্রাণী সকলেই এটি বুঝতে পারে। সেইমতো নিজেদেরকে তারা পরিবর্তন করে নেয়। সেই তালিকায় মানুষও রয়েছে। প্রতিটি সময় বিবর্তনের ধারা মেনে সকল প্রাণীরা নিজেদের তৈরি করে নিয়েছে।
তবে এখানে নতুন একটি বিষয় সকলের সামনে এসেছে। নরওয়েন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির একটি বিশেষজ্ঞ দল নতুন একটি প্রাণীর কথা বলেছেন। তারা মনে করেন প্রতিটি ঘরের চালে দেখা যায় চড়ুইপাখি। তাদের কাছেই রয়েছে বিবর্তনের একটি ক্ষমতা। তারা প্রতিদিন সংখ্যায় কমছে। তাদের দেহে বিবর্তনের ক্ষমতা ক্রমেই কমছে। ফলে সেখান থেকে তারা এবার বিরাট বিপদের সামনে।
বহু যুগ ধরে পৃথিবীতে চড়ুইপাখিরা টিকে রয়েছে। তারা অতি সহজেই নিজেদেরকে মানিয়ে নিতে পারে। অতি কঠিন পরিবেশও তারা স্থির থাকে। ফলে সেখান থেকে তারা এবার প্রবল সমস্যার সামনে। তাদের দেহ ছোটো হওয়ার জেরে তারা সহজে বাকিদের টার্গেট হয়েছে। এটাও আরও একটি বড় কারণ যে তারা অতি দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। তাদের ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে সেখানে তারা প্রতিকূল পরিস্থিতির সামনে পড়ছে। সেখান থেকে তারা আর নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে পারছে না। ফলে সেখান থেকে তাদের অস্তিত্ব সংকটের দিকে।
চড়ুইপাখিরা যেকোনও ধরণের খাবার খেতে পারে। তাদের দিকনির্দেশের ক্ষমতাও প্রখর। তারা সহজে আকাশে গিয়ে হারিয়ে যায় না। তবে প্রতিদিন পরিবেশের বদল থেকে তাদের ক্ষমতা কমছে। ফলে সেখান থেকে তাদের বংশবৃদ্ধিতেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে দেখা গিয়েছে যেখানে শহরে পরিবেশ নেই সেখানে তারা কিছুটা হলেও থাকতে পারছে। তবে শহরের পরিবেশে তারা একেবারই মানিয়ে নিতে পারছে না।
যেভাবে চড়ুইপাখিরা নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছে সেখান থেকে তারা আর কতদিন ধরে টিকে থাকবে সেটা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। যদি পৃথিবী থেকে চড়ুইপাখিরা হারিয়ে যায় তাহলে পরিবেশের একটি বড় বদল ঘটবে। তাই নিজের বাড়ির বাইরে থাকা চড়ুইটিকে নজরে রাখুন। যদি তার আকার যদি ছোটে হয়ে যায় তাহলে সেখান থেকে জানবেন তার সময় আর বেশি নেই।
বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রায় বিরাট পরিবর্তন এসেছে। সেখানে সবার আগে প্রভাব হয়েছে পাখির দল। সেই তালিকায় এবার উঠে আসছে আমাদের প্রিয় চড়ুইপাখির নাম। হয়তো আগামী এক দশকের মধ্যেই হারিয়ে যাবে এই পাখিটি।
