রাজ্যজুড়ে হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যেই নিম্নচাপের ভ্রকুটি। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, দক্ষিণ-পশ্চিম ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগরের ওপর সৃষ্ট নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে বৃহস্পতিবার।
2
7
এদিন গভীর নিম্নচাপটি ৬ ঘণ্টায় প্রায় ১৩ কিলোমিটার বেগে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগরের ওপর অবস্থান করছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৩৬ ঘণ্টায় এই গভীর নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে।
3
7
তবে বাংলায় এই নিম্নচাপের কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। রাজ্যের ওপর নিম্নস্তরের বায়ুমণ্ডলে উত্তর-পশ্চিম বা উত্তর দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আগামী সাত দিন রাজ্যের সব জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকার সম্ভাবনা। পাশাপাশি, একটানা উত্তুরে হাওয়া ঢোকার ফলে তাপমাত্রা আরও কমবে বলে জানানো হয়েছে।
4
7
তাপমাত্রা সম্পর্কে জানানো হয়েছে, আগামী দু’দিনে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে পরবর্তী দু’দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী সাত দিন রাতের তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
5
7
তবে আগামী দু’দিনে রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম থাকতে পারে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রার ক্ষেত্রেও আগামী দু’দিন পশ্চিমবঙ্গের বহু জেলায় দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
6
7
জানা গিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে ভোরের দিকে এক বা দুই জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এর ফলে দৃশ্যমানতা ৯৯৯ থেকে ২০০ মিটারের মধ্যে নেমে আসতে পারে। উত্তরবঙ্গেও কিছু জেলায় সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।
7
7
দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলার এক বা দুই জায়গায় ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। আগামী ১০ জানুয়ারির পর থেকে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সব জেলায় সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা বজায় থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।