আজকাল ওয়েবডেস্ক: চকোলেট। দেখতে এবং খেতেও। শুধু চকোলেট নয়, ভারত হোক বা অন্যান্য দেশ, একেবারে জনপ্রিয় চকোলেটের তালিকায় উপরের দিকে নাম। কিন্তু ওই চকোলেট নাকি জাপানিরা মুখেই দেন না। উলটে কিনে সোজা পকেটে ভরে ফেলেন। মানেন ভাগ্য বা 'লাক' হিসেবে। শুনতে অবাক লাগলেও তথ্য তেমনটাই। জাপানি এক যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে ভিডিওর মাধ্যমে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত জানিয়েছেন। যদিও ওই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি আজকাল ডট ইন।
কোন চকোলেট নিয়ে হইচই? সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও অনুযায়ী, জনপ্রিয় চকোলেট কিটক্যাট নিয়ে এই গোটা ঘটনা। যুবকের পোস্ট করা ওই ভিডিওতে কিটক্যাটের নানা দৃশ্যের পিছনে শোনা গিয়েছে কাহিনি। সেখানে বলা হচ্ছে, '১৯৭৩ সালে, জাপানে একটি ব্রিটিশ চকোলেট বার এসে পৌঁছয়। কেউই পাত্তা দেয়নি। বিক্রির হারও ছিল ভয়াবহ। কারণ জাপানিদের পছন্দের তুলনায় এর স্বাদ খুব মিষ্টি ছিল। তার পরের কয়েক দশকে এটি জাপানে স্রেফ অন্যান্য ভুলে যয়ায়া বিদেশি খাবারের মতোই ছিল। কিন্তু তারপর, এক অবাক ঘটনা ঘটে। ২০০০ সালের গোড়ার দিকে, দক্ষিণ জাপানের শিক্ষার্থীরা কিট ক্যাট কিনতে শুরু করে। কিন্তু খাওয়ার জন্য নয়, বরং পরীক্ষার আগে 'লাকি চার্ম' হিসেবে। কারণ জাপানি ভাষায় কিটক্যাট কিটো কাটসুর মতোই শোনায়, যার অর্থ 'তুমি অবশ্যই জিতবে'।' ভিডিওতেই পোস্ট দাতা জানিয়েছেন, এখন জাপানে কিটক্যাটের চাহিদা বিপুল। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়ে যয়ায়ার আগে সঙ্গে নিয়ে যান। সাধারণ মানুষ দূরে যাওয়ার সময় সঙ্গে রাখেন। বাবা-মায়েরা ওই চকোলেটের সঙ্গে আশীর্বানী লিখে সন্তানদের হাতে তুলে দেন। আগে এই চকোলেট একভাবে ছিল জাপানে, এখন সেখানে এটি কেবল বিদেশী পন্য নয়, জুড়ে গিয়েছে সেখানকার জীবনযাত্রার, সংস্কৃতির সঙ্গে।
আরও পড়ুন: 'জেলে যাব না', স্রেফ লাগাতার সঙ্গম-যৌনতাতেই দেশের নিয়মকে ঘোল খাওয়ালেন যুবতী! পরিণতি জানলে অবাক
ওই ভিডিওর সঙ্গে যুবক লিখেছেন লম্বা পোস্ট। তাতে বর্তমানে কিটক্যাটের বাজার, চাহিদার তথ্য তুলে ধরেছেন। লিখেছেন, 'কিটক্যাট এখন জাপানের সমগ্র মিষ্টি-বাজারের ৬.১% নিয়ন্ত্রণ করে। মেইজির মতো শতাব্দী প্রাচীন জাপানি কোম্পানিগুলির সঙ্গে অনায়াসে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চলেছে এই বিদেশি ব্র্যান্ড। কৌশলগত সাফল্য এসেছে প্রিমিয়াম সংস্করণ তৈরির জন্য পেস্ট্রি শেফ ইয়াসুমাসা তাকাগিকে নিয়োগ করার মাধ্যমে। তাঁর কিটক্যাট চকোলেটরি স্টোরগুলি মাত্র ১০ লক্ষ গ্রাহক থেকে ২ বিলিয়ন ইয়েনেরও বেশি রাজস্ব আয় করেছে।
















