আজকাল ওয়েবডেস্ক : শীতকালে মুখের আশেপাশে যে ঘা হয় তা আমরা সকলেই জানি। এই ঘা ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে কমে যায়। কিন্তু সম্প্রতি অন্য এক সাবধানবানী শুনিয়েছেন চিকিৎসকরা। মুখের ভিতরে যেমন ঘা হয় ঠিক তেমনি আমাদের মগজে এই ধরণের নতুন ঘা তৈরি হচ্ছে। এই ঘা মগজের কাজ এবং আমাদের স্নায়ুর প্রবল ক্ষতি করছে।
কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছেন, মগজের বিভিন্ন স্থানে জায়গা করে নিচ্ছে এই ঘা। এরফলে মগজের কাজ করার ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে এই ঘা। পাশাপাশি স্নায়ুতন্ত্রকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে এই নতুন ধরণের গা। এর সরাসরি প্রভাব মুখে এবং চোখের বিভিন্ন কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বাতাসের মধ্যে ভেসে বেড়াচ্ছে এইচএসভি ওয়ান নামে এই ভাইরাস।
বাতাসের মধ্যে দিয়েই এই ভাইরাস সরাসরি প্রবেশ করছে আমাদের মগজে। এরপর নিজের কাজ শুরু করছে সে। মাথার বিভিন্ন অংশের ওপর সরাসরি প্রভাব খাটাচ্ছে এই ভাইরাস। এমনকি রাতের দিকে যাদের ভাল ঘুম হচ্ছে না তারাও এই ভাইরাসের শিকার হতে পারেন। মগজের কার্যক্ষমতা নষ্ট করার পাশাপাশি মাথার ভিতরের বিভিন্ন অংশে ঘা ছড়িয়ে পড়েছে।
এর চিকিৎসা করতে গিয়ে টিকিৎসকরা রীতিমতো হিমসিম অবস্থা। একবার যদি মগজে প্রবেশ করতে পারে তাহলে আর রক্ষা নেই। এর হাত থেকে বাঁচা মুশকিল। আপাতত এই রোগের কোনও চিকিৎসা নেই। শুধু একে খানিক সময় ঠেকিয়ে রাখা যেতে পারে। নতুন এই ভাইরাস তাই ভয় ধরাচ্ছে সকলের মনে।
