আজকাল ওয়েবডেস্ক: অ্যারিজোনার একটি পুলে ডুবে যাওয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল একটি শিশুকে। পাঁচ ঘণ্টা পরে সেই ‘মৃত’ শিশুটি জীবিত হয়ে উঠেছে। ঘটনাটিকে ‘অলৌকিক’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। মৃত ঘোষণার অনেক পরেও জীবিত থাকার লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করলে চিকিৎসকরা হতবাক হয়ে যান। ঘটনাটি ঘটেছে ৮ ফেব্রুয়ারি অ্যারিজোনার গিলবার্টে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, গিলবার্ট পুলিশ বিভাগ (জিপিডি) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে একটি শিশুর ডুবে যাওয়ার ফোন পান। জরুরি সেবা প্রদানকারীরা শিশুটিকে সিপিআর দেয় এবং শীঘ্রই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তবে, প্রায় পাঁচ ঘন্টা পরে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ জিপিডিকে জানানো হয় যে শিশুটিতে জীবনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তাকে অন্য একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এই ঘটনাটি সকলকে হতবাক করে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এটিকে একটি অলৌকিক ঘটনা বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের দাবি, এমন কিছু তাঁরা আগে কখনও দেখেননি। জরুরি চিকিৎসার চিকিৎসক ডাঃ ফ্রাঙ্ক লোভেচিও সংবাদমাধ্যমকে জানান যে এই ঘটনাটি স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের একটি শিশুকে মৃত ঘোষণা করার সময় ‘অতিরিক্ত সংবেদনশীল’ হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
তিনি বলেন, “আপনাকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত হতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা পর্যাপ্ত ছিল, কোনও হৃদস্পন্দন ছিল না, কোনও নড়াচড়া নেই, কোনও রক্তচাপ ছিল না।” ডাক্তারের বিশ্বাস যে, প্রচন্ড ঠাণ্ডার কারণে শিশুটির কোনও পালস শনাক্ত করা যায়নি। লোভেচিও বলেছেন যে এই বিশেষ ঘটনাটি ‘একটি অলৌকিক ঘটনা’, তবে ‘বিশ্বাস করা কিছুটা কঠিন’। তিনি আরও যোগ করেছেন আমাদের চোখে কিছু হয়তো বাদ থেকে যাচ্ছে।
শিশুটিকে মর্গে স্থানান্তর করা হয়েছিল কিনা সেটা জানা যায়নি। মর্গেই রাত ১১ টার দিকে শিশুটির জীবনের লক্ষণ দেখা গিয়েছে নাকি ওই সময় জিপিডিকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল তা জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত শুরু করা হয়েছে, যদিও শিশুটির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
