আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি এক পোস্ট শেয়ার করেছেন লেখক অঙ্কুর ওয়ারিকু। সেখানে নিজের জীবনের এক রহস্যের কথা ফাঁস করেছেন তিনি। একজন পিএইচডি ড্রপআউট থেকে ক্যাম্পাসের শীর্ষ নিয়োগপ্রাপ্তদের একজন হয়ে ওঠার কাহিনি ফাঁস করেছেন তিনি। বর্তমানে, মাত্র ৫ বছরের মধ্যে তাঁর বার্ষিক বেতন ৩ লক্ষ থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৩ লক্ষে। পোস্টে অঙ্কুর লেখেন, ‘আমি প্রথম চাকরি পাই ২৪ বছর বয়সে। সেই সময় আমার বেতন ছিল ১৪,৭৪৬ টাকা। ২৬ বছর বয়সে আমার বার্ষিক আয় দাঁড়ায় ১২ লক্ষ। আর ২৯ বছর বয়সে তা হয় ৩৩ লক্ষ’। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করার মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দেশে ফেরেন তিনি। তখন তাঁর কোনও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ছিল না। ছিল শুধুমাত্র আর্থিক নিরাপত্তার তাগিদ।
এমবিএ ডিগ্রি নেই, কোনও বড় নেটওয়ার্ক বা পরিচিতি না থাকা সত্ত্বেও তিনি একের পর এক দরজা ধাক্কাতে থাকেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি পত্রিকার বিজ্ঞাপন দেখে আবেদন করেছি, ওয়াক-ইন ইন্টারভিউ দিয়েছি, পরিচিতদের সাহায্য চেয়েছি। অবশেষে ৪৫ দিনের চেষ্টার পর এক সংস্থায় ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম। শেষ রাউন্ডে ওরা আমাকে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কীরকম বেতন প্রত্যাশা করছ?’ আমি বুঝতেই পারিনি কী বলব! ওরা আমাকে ১৫,০০০ ইন হ্যান্ড অফার করল—যা সেই সময়ে আমার প্রত্যাশার থেকেও বেশি’। অঙ্কুরের এই গল্পটি শুধুই গল্প নয়, এটি হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর জন্য এক অনুপ্রেরণা। যারা স্বপ্ন দেখছে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার, চ্যালেঞ্জকে জয় করার। অঙ্কুর প্রমাণ করেছেন, ডিগ্রি নয়-চেষ্টা, অধ্যবসায় এবং আত্মবিশ্বাসই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ।
