আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভরা যমুনায় নৌকাডুবি। ঘটনায় পাঁচজন মারা গিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন শিশুও ছিল। জানা গিয়েছে, নিখোঁজ এক ১১ বছরের কিশোরও। বৃহস্পতিবার তেমনটাই জানাল পুলিশ। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় কুরারা থানা এলাকার ভাউলি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তগর্ত কুতুবপুর পটিয়া গ্রামে ঘটে এই ঘটনা। তথ্য অনুযায়ী, মাঝিকে বাদ দিয়ে ন’জনের একটি নৌকো এক দ্বীপ থেকে কুতুবপুর পটিয়া গ্রামের ঘাটে ফিরছিল। 

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, নৌকোটি মাঝ নদীতে ভারসাম্য হারায়। সন্ধ্যে সাতটার আশেপাশে সম্পূর্ণ ভারসাম্য হারিয়ে  যাত্রী সমেত ভরা ডুবি হয়। জানা গিয়েছে, মাঝির নাম ধীরু। তিনি তিনজনকে উদ্ধার করেন। তাঁদের নাম বিষ্ণু, রিঙ্কু এবং পারুল। বাকি ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন শিশু এবং একজন মহিলা ছিলেন। তাঁরা হলেন আকাঙ্খা, রানি, ব্রিজরানি, লভ্যাংশ, মহেশ এবং আদিত্য। এরা নিখোঁজ। 

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। নিখোঁজদের খোঁজা শুরু করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তাঁদের মধ্যে একজন বাদে বাকিদের মৃত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া যায়। এসএইচও ব্রিজেশ কুমারের বক্তব্য, "সকাল থেকে প্রবল বৃষ্টির কারণে উদ্ধারের কাজ করতে গিয়ে আমাদের কর্মীরা অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন। আদিত্য নামের এক কিশোর এখনও নিখোঁজ। কর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা করছে তাকে খুঁজে বের করার।"

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অভিষেক গোয়েলের বক্তব্য, "রাজ্য তথা জাতীয় স্তরের দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী এখনও তল্লাশি জারি রেখেছে। আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খোঁজার চেষ্টা করছি।" হামিরপুরের বিজেপি বিধায়ক মনোজ প্রজাপতির কথায়, "আমরা শোকাহত পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ অবশ্যই দেব। এই দুর্ঘটনার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাব  আরও সাহায্যের।"

তথ্য অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করতে বলেছেন জেলা প্রশাসনকে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ-এ এই ধরণের ঘটনা কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় সেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে তল্লাশি করার নির্দেশও দিয়েছেন। একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সবরকম সহায়তা দান করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।