আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবার গভীর রাতে গুয়াহাটিতে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে আচমকা ডাকাতের হামলা।  মুখোশধারী দুষ্কৃতীরা ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের মারধর করে সর্বস্ব লুটে নিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনা জানাজানি হতে রীতিমতো ভীত সন্ত্রস্ত এলাকাবাসী৷ 

পুলিশ সূত্রের খবর, ব্যবসায়ী অনিল ডেকার বাড়িতে এই ঘটনাটি ঘটেছে। খবর অনুযায়ী, একটি সাদা রঙের সুইফট গাড়িতে চড়ে চারজন ডাকাত ওই আবাসনে আসে। আবাসন এবং অনিল বাবুর ঘরের ভিতরের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই ভয়াবহ দৃশ্য। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, মাত্র ৪০ মিনিটের মধ্যেই দুষ্কৃতীরা তাদের কাজ সেরে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়।

ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, অনিলবাবুর স্ত্রী এবং তাঁদের গাড়ি চালককে অস্ত্র ও ভোজালি দেখিয়ে ভয় দেখাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। বসার ঘরে তাঁদের ওপর চড়াও হয় তারা। দুই দুষ্কৃতী যখন মহিলাকে কাবু করার চেষ্টা করছিল, বাকি দু’জন তখন চালককে সোফায় চেপে ধরেছিল। এরপরই শুরু করে লুটপাট। 

জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় অনিল ডেকা বাড়িতে ছিলেন না। সেই সুযোগেই আলমারি থেকে নগদ টাকা, সোনার গয়না এবং মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। একই এলাকায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে এহেন হামলার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে প্রতিবেশীদের মধ্যে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ৷ 

অন্যদিকে, কিছুদিন আগেই পাঞ্জাবে চলন্ত সরকারি বাসে গুলি চালাল তিন দুষ্কৃতী। মঙ্গলবার ফিরোজপুর-ফাজিলকা রাস্তায় এই ঘটনা ঘটে। গুলি লেগে বাসের কন্ডাক্টর আহত হয়েছেন। তবে চালক অল্পের জন্য রক্ষা পান। ঘটনার আকস্মিকতায় যাত্রীরা ভীষণ ভয় পেয়ে যান।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঞ্জাব রোডওয়েজের বাসটি ফিরোজপুর থেকে রাজস্থানের শ্রী গঙ্গানগর যাচ্ছিল। পথে মোটরসাইকেলে আসা তিন হামলাকারী বাসটিকে লক্ষ্য করে দু'টি গুলি চালিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাসের সামনের দিকে বুলেটের দাগ রয়েছে। চালকের দিকের জানালার কাচ ভেঙে গিয়েছে। সেই ভাঙা কাচের টুকরো লেগেই কন্ডাক্টরের পায়ে আঘাত লাগে।

ঘটনার পরই চালক বাস থামিয়ে দেন। বাসের মধ্যে থাকা যাত্রীরা হঠাৎ এমন হামলায় চিৎকার করতে থাকেন। ভয়ে দিগ্‌বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন। একজন যাত্রী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "আমরা নিরিবিলি যাচ্ছিলাম, হঠাৎ বাইকে আসা লোকগুলো বাসে গুলি চালাল। চালক একটু ঝুঁকে যাওয়ায় বেঁচে গেলেন।" পুলিশ ইতিমধ্যেই মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য বাসটি নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।