আজকাল ওয়েবডেস্ক: তোলাবাজদের দাবি মেটাতে পারেননি। আর সেই ‘অপরাধে’ খোদ সন্তানদের সামনেই এক মেকানিককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। রবিবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুর উইলসন গার্ডেন এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম রশিদ পাশা (৪৫)।
পেশায় জিপ মেকানিক রশিদ ওই এলাকায় নিজের একটি দোকান ঘর তৈরি করছিলেন। রবিবার সকালেই দোকানের ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়। অভিযোগ, নতুন নির্মাণ দেখেই স্থানীয় তিন যুবক তাঁর কাছে ৫০ হাজার টাকা ‘মামুল’ (কর) দাবি করে। কিন্তু রশিদ সেই টাকা দিতে সাফ অস্বীকার করেন। তা নিয়ে সকালেই একদফা বচসা হয়েছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, রবিবার রাত ৯টা নাগাদ বদ মাকান রোডের কাছে রশিদ যখন তাঁর দুই শিশুপুত্রের সঙ্গে ছিলেন, তখন অভিযুক্তরা ফের তাঁর ওপর চড়াও হয়। ফের টাকার দাবি তোলা হলে রশিদ রাজি হননি। এর পরেই শুরু হয় নৃশংস আক্রমণ। অভিযোগ, ক্রিকেট ব্যাট এবং বাঁশ দিয়ে রশিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তিন দুষ্কৃতী। দুই সন্তানের চোখের সামনেই রক্তাক্ত হয়ে লুটিয়ে পড়েন তিনি।
রশিদকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সেন্ট্রাল ডিভিশনের ডিসিপি অক্ষয় মছিন্দ্রা জানিয়েছেন, ইতিমত্যেই খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, স্রেফ অঙ্ক ভুল হয়েছে৷ আর তাতেই হাড়হিম কাণ্ড৷ সামান্য অঙ্ক ভুলের ‘অপরাধে’ পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নির্মমভাবে মারধরের অভিযোগ উঠল এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের নাগপুর জেলার দেউলি কালান গ্রামের একটি জেলা পরিষদ স্কুলে। গুরুতর চোট নিয়ে বর্তমানে ওই ১০ বছরের কিশোরী চিকিৎসাধীন।
স্কুল থেকে ফেরার পর মেয়ের হাতের অবস্থা দেখে চমকে উঠেছিলেন বাবা-মা। কালশিটে পড়া হাত নিয়ে মেয়ে জানায়, অঙ্ক মেলাতে না পারায় শিক্ষিকা তাকে বেধড়ক মেরেছেন। অভিযোগ, ঘটনার কথা জানাজানি হলে ছাত্রীকে স্কুল থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন ওই শিক্ষিকা। এমনকী ছাত্রীর পরিবারকে ডেকে শাসানো হয় বলেও দাবি।
শেষ পর্যন্ত ‘চাইল্ড হেল্পলাইন’-এর হস্তক্ষেপে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ওই সংগঠনের প্রতিনিধিরা ছাত্রীর বাড়ি গিয়ে ঘটনার তদন্ত করেন। তাঁদের তৎপরতাতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। ঘটনার জেরে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
