আজকাল ওয়েবডেস্ক: তীব্র তাপপ্রবাহের দাপট। এই আবহেই কাজে বেরিয়ে বিপত্তি। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত একাধিক শিক্ষক। নিমেষেই প্রাণ হারালেন তাঁরা। পরপর মৃত্যুতে শোরগোল রাজ্যেজুড়ে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে সুন্দরগড় ও ময়ূরভঞ্জ জেলায়। দু’জনেই জনগণনার কাজে নিযুক্ত ছিলেন। মৃতেরা হলেন, রাজকপূর হেমব্রম এবং অনুরাগ এক্কা। দু’জনেই সরকারি স্কুলের শিক্ষক। এদিন দুই জেলায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র গরমে বাইরে বাইরে ঘুরে কাজ করার সময়েই বিপত্তি ঘটে। কিন্তু গরমের কারণে মৃত্যু কি না, সরকারি ভাবে তা স্পষ্ট করা হয়নি।
ভারতের মৌসম ভবনের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, উত্তর ভারত ছাড়াও উত্তর পশ্চিম এবং মধ্য ভারতেও তীব্র তাপদাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, পঞ্জাব, হরিয়ানা, চন্ডীগড়, দিল্লি এবং রাজস্থানের মতো রাজ্যগুলি রয়েছে। তালিকায় রয়েছে মধ্য ভারতের একাধিক রাজ্য।
২৭ এপ্রিল পর্যন্ত বজায় থাকবে এই পরিস্থিতি। গত শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৫.২ ডিগ্রি। তবে গরমের মধ্যেও জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি, বজ্রপাত, কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জারি করা হয়েছে সতর্কতা।
উত্তর পূর্বের পার্বত্য অঞ্চল এবং পূর্ব ভারতের কিছু অংশে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। বৃষ্টির পাশাপাশি হতে পারে কালবৈশাখীও। মৌসম ভবন জানিয়েছে, হিমালয়ের পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টি এবং তুষারপাতও হতে পারে। ২৭ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, অসম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরার মতো রাজ্যে। ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়া হাওয়া।
পূর্ব ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশাতেও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বজ্রপাতের পাশাপাশি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। পাশাপাশি, দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশেও রয়েছে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা।















