আজকাল ওয়েবডেস্ক: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। তীব্র দহনজ্বালা উত্তর ভারত জুড়ে। তাপমাত্রার গণ্ডি ইতিমধ্যে ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। জ্বালাপোড়া গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন। স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদের জন্য সমস্যাজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিস্থিতি। গরমে যাতে পড়ুয়ারা অসুস্থ না হয়ে পড়ে, তার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের তরফে বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে।
উত্তর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে তাপমাত্রার পারদ পৌঁছে গেছে ৪২ বা ৪৫ ডিগ্রিতে। আগামী কিছুদিন এই পরিস্থিতিই বজায় থাকবে। এমনই জানিয়েছে মৌসম ভবন। তাই নয়ডার স্কুলগুলির সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। জেলার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা আধিকারিক রাহুল পানওয়ার সম্প্রতি এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে। জানিয়েছে, স্কুলের সময় পরিবর্তন করে সকাল সাড়ে ৭টা করা হয়েছে। স্কুল শেষ হবে দুপুর সারে ১২টায়। সমস্ত সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত, বেসরকারি স্কুলের জন্য এই নির্দেশ। আগামী ২৭ এপ্রিল থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হবে সিবিএসই, আইসিএসই, আইবি এবং ইউপি বোর্ডের সমস্ত স্কুলে। গাজিয়াবাদের সমস্ত স্কুলে ইতিমধ্যেই সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণির সমস্ত ক্লাসের সময় এগিয়ে আনা হয়েছে।
অন্য দিকে, দেরাদুনের স্কুলগুলিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তাপপ্রবাহের জেরে হিট স্ট্রোক বা অন্য কোনও অসুস্থতার ঝুঁকি এড়াতে সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন স্কুলের প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস বন্ধ রাখা হয়েছে। ক্লাস হচ্ছে না অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রগুলিতেও। এই সমস্ত স্কুল আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে ফের খোলা হবে।
স্কুলের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে পটনা, ঝাড়খণ্ড, কোটা এবং ওড়িশাতেও। ঝাড়খণ্ডে প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্লাসের সময় সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ১১টা এবং নবম থেকে দ্বাদশের ক্লাসের সময় সকাল ৭টা থেকে ১২টা পর্যন্ত করা হয়েছে। পটনাতে প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস চলবে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এবং ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্লাস দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলবে। মধ্যপ্রদেশের স্কুলগুলিতে ক্লাসের সময় সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা। অন্য দিকে, ওড়িশার স্কুলগুলিতে ক্লাসের সময় সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ১০টা করা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের সমস্ত স্কুলের ক্লাসের সময় সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা।
উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশ, নয়ডা, গাজিয়াবাদ, লখনউয়ে সমস্ত স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি এগিয়ে আনার কথাও ভাবছেন কর্তৃপক্ষ। এ বছর মে মাসের মাঝামাঝি থেকে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত চলতে পারে গ্রীষ্মকালীন ছুটির মেয়াদ।















