আজকাল ওয়েবডেস্ক: বন্ধুত্বের সম্পর্ক থেকেই সর্বনাশ! গল্প করার অজুহাতে দেখা করতে ডেকেছিল কিশোরীকে। সেই অজুহাতেই তাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল একাদশ শ্রেণির এক পড়ুয়ার বিরুদ্ধে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানে। পুলিশ জানিয়েছে, পালি জেলায় ধর্ষণের অভিযোগে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রকে আটক করা হয়েছে। ১৪ বছর বয়সি এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর, অশালীন কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে দেয় সে।
নির্যাতিতার পরিবার জানিয়েছে, শিবপুরা থানা এলাকায় ১৫ থেকে ২০ দিন আগে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে। একাদশ শ্রেণির ওই পড়ুয়া আগেই ছাত্রীর সঙ্গের বন্ধুত্ব পাতিয়েছিল। বন্ধুর সম্পর্ক গড়েই শ্লীলতাহানির পরিকল্পনা ছিল তার। ঘটনার দিন নবম শ্রেণির ছাত্রীকে দেখা করার জন্য ডেকেছিল অভিযুক্ত ছাত্র। সেদিন ওই মাঠেই কিশোরীকে ধর্ষণ করে ওই ছাত্র। ধর্ষণের পর তার অশ্লীল ভিডিও তুলে হুমকিও দেয়। বিষয়টি যাতে বাইরে ফাঁস না করে, তার জন্য হুমকি দেয় তাকে।
ধর্ষণের পরেই মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ছিল ওই নবম শ্রেণির ছাত্রী। কারও সঙ্গে কথাও বলছিল না। একাধিকবার জিজ্ঞেস করার পর, পরিবারকে ধর্ষণের ঘটনাটি জানায় সে। এরপর থানায় অভিযোগ দায়ের করে তার পরিবার। শিবপুরা থানাতেই অভিযোগটি দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কিশোরীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে। তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
দিন কয়েক আগে আরেকটি ভয়াবহ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। নাবালক ও কিশোরদের যৌন লালসার শিকার হয় ১৩ বছরের এক কিশোরী। আচমকাই তার সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়েছিল চারজনে। এরপর আড্ডা দেওয়ার জন্য তাকে নিয়ে যায় একটি লজে। সেখানেই শুরু হয় গণধর্ষণ। নির্যাতিতা কিশোরীর মুখে বর্ণনা শুনে শিউরে ওঠে পুলিশ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানায়। পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চারজনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের মধ্যে দু'জন নাবালক রয়েছে। একটি লজে কিশোরীকে নিয়ে গিয়ে, যৌন নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গত ৮ ডিসেম্বর। সেকেন্দ্রাবাদে কিশোরীকে একা দেখতে পেয়েই আলাপ করেছিল চারজন। এরপর একটি লজে নিয়ে যায় তারা। সেখানেই ঘরের মধ্যে চারজন মিলে কিশোরীকে গণধর্ষণ করে। এর আগে থেকেই কিশোরী নিখোঁজ ছিল। গত ৫ ডিসেম্বর নির্যাতিতার পরিবার সাঙ্গারেড্ডি জেলায় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে।
এরপরই তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। দিন কয়েক পরেই ওই কিশোরী পুলিশকে ফোন করে তার ঠিকানা জানায়। সেই লজে পৌঁছে কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। তখনই গণধর্ষণের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে দু'জনকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বাকি দু'জনকে গ্রেপ্তার করে অবজারভেশন হোমে পাঠানো হয়েছে।
