আজকাল ওয়েবডেস্ক: অবশেষে চার বছর পর শুরু হতে চলেছে আদমশুমারি বা জনগণনা। ২০২৫ সাল থেকে শুরু হবে জনগণনা, এমনটাই জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার। 

 

 

সরকারের তরফে এক বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, আগামী বছর শুরু করা হবে এই জনগণনার কাজ। মোটামুটিভাবে এই কাজ শেষ হতে সময় লাগবে ২০২৬ সালের শেষ সময় পর্যন্ত। এরপরই লোকসভার আসনের পুনর্বিন্যাস করা হবে, এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্রে। 

 

 

প্রতি ১০ বছর অন্তর জাতীয় জনসংখ্যা রেজিস্টার বা এনপিআর করা হয়। এতে বোঝা যায় ভারতে এই মুহূর্তে কত সংখ্যক লোক বসবাস করছেন তার বিস্তারিত বিবরণ। দশ বছরের হিসেব অনুযায়ী, ২০২১ সালে করার কথা ছিল পরবর্তী এনপিআর। তখন তা হয়নি। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল করোনা মহামারি। অবশেষে চার বছর পর ২০২৫ সালে ফের শুরু হতে চলেছে এনপিআর। 

 

 

আসন্ন আদমশুমারির মাধ্যমে গণনা করা হবে, সাধারণ, তফসিলি জাতি এবং তফসিলি উপজাতির মানুষ কতজন রয়েছেন সংখ্যায়। একইসঙ্গে কোন ধর্মাবলম্বী মানুষ কত শতাংশ হারে বাস করেন এই দেশে।  

 

 

বর্তমানে মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ সেন্সাস কমিশনারের দায়িত্বে রয়েছেন। এই জনগণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনিই সামলাবেন এই দপ্তর। জানা গিয়েছে, ২০২৬ সাল পর্যন্ত তাঁর কর্মজীবনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। 

 

 

জনগণনা হতে পারে খুব তাড়াতাড়ি এমন ঘোষণা এ বছর অগস্টেই করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছিলেন, সঠিক সময়ে জনগণনা করা হবে। খুব তাড়াতাড়ি ঘোষণা করা হবে কীভাবে এটি করা হবে। পাশাপাশি শাহ আরও করেছিলেন, পরবর্তী জাতীয় আদমশুমারি মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই করা যাবে। একটি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ডিজিটালভাবে করা হবে। অবশেষে অক্টোবরে ঘোষণা হল আদমশুমারির। 

 

 

এর আগে করা হয়েছিল ২০১১ সালে। সর্বশেষ আদমশুমারিতে দেখা গিয়েছিল, ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১৭.৭ শতাংশ। মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১২১ কোটির বেশি। এবার কত হয় সেটা জানতে সময় লাগবে এখনও দু'বছর।