আজকাল ওয়েবডেস্ক: গ্যাস বুকিংয়ের নিয়মে কোনও বদল হয়নি। জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। আচমকাই খবর ছড়িয়েছিল, গ্যাস বুকিংয়ের জন্য নাকি নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র। যেখানে দাবি করা হচ্ছিল, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার ক্ষেত্রে ব্যবধান ৪৫ দিন করা হয়েছে। যাঁরা উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহক নন, তাঁরা একটিই সিলিন্ডার ব্যবহার করলে ব্যবধান থাকবে ২৫ দিন। দু’টি সিলিন্ডার ব্যবহার করলে ব্যবধান হবে ৩৫ দিন। তবে গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবধানে এমন কোনও পরিবর্তনই করা হয়নি বলে দাবি করেছে কেন্দ্র।
বুধবার কেন্দ্র জানিয়েছে, গ্রাহকের নামে একটি সিলিন্ডার সংযোগ থাকুক বা দু’টি, উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহক হোন বা না হোন, সকলের ক্ষেত্রেই দু’টি সিলিন্ডার বুক করার মাঝে সময়ের ব্যবধান আগে যা ছিল, সেটাই থাকছে। অর্থাৎ, শহরাঞ্চলের গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ২৫ দিনের ব্যবধান এবং গ্রামাঞ্চলের গ্রাহকদের জন্য ৪৫ দিনের ব্যবধান।
এটা ঘটনা, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আবেহ গ্যাস সিলিন্ডারের হাহাকার শুরু হয়েছে। একবার সিলিন্ডার বুকিং করলে তা আসতে আসতে ২০–২৫ দিন হয়ে যাচ্ছে। কমার্শিয়াল সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে তো সমস্যা আরও তীব্রতর। অনেক রেস্তরাঁ বন্ধ পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আচমকাই মঙ্গলবার গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহকারী সংগঠনগুলির (যেমন ইন্ডেন, এলপিজি) তরফে জানানো হয়, বুকিংয়ের সময়সীমা বদলে দেওয়া হয়েছে। উজ্জ্বলা যোজনার অধীনে নন এমন গ্রাহক, যাঁদের ডবল সিলিন্ডার রয়েছে, তাঁদের সিলিন্ডার বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩৫ দিন করা হয়েছে। অর্থাৎ একটি বুক করার পরে অন্তত ৩৫ দিন পর দ্বিতীয়টি বুক করা যাবে। একই সঙ্গে এটাও জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহকরা একটি সিলিন্ডার বুক করার ৪৫ দিনের মাথায় পরেরটি বুক করতে পারবেন। এর আগে এই সময়সীমা ছিল ২৫ দিন। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরই বুধবার বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করল কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক।
মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ‘নাগরিকদের কাছে আবেদন এই ধরনের খবরে বিভ্রান্ত হবেন না। দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ এলপিজি মজুত রয়েছে। তাই উদ্বেগের কোনও কারণ নেই।’ এটাও জানানো হয়েছে, ‘পেট্রল ও ডিজেলও পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে। এলপিজির দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। তাই উদ্বেগের কারণ নেই।’
