আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দুর্ঘটনার একদিন পর উদ্ধার হল বিমানের ব্ল্যাক বক্স। বুধবার বারামতীতে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। দুর্ঘটনার পরেই তদন্তকারীরা বিমানের ব্ল্যাক বক্সের খোঁজ চালাচ্ছিলেন। অবশেষে বৃহস্পতিবার ব্ল্যাক বক্সটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।


প্রসঙ্গত, ব্ল্যাক বক্সেই বিমানের সমস্ত ডেটা রেকর্ড থাকে। রেকর্ড থাকে ককপিটের কথোপকথন। ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার হওয়ার পর তা খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। আশা, মর্মান্তিক দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ হয়ত এবার জানা যাবে। আশা করা হচ্ছে, দুর্ঘটনার আগে পাইলট কী বার্তা দিতে চেয়েছিলেন তা এবার জানা যাবে।


এদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় বারামতীর বিদ্যা প্রতিষ্ঠান মাঠে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য হবে অজিত পাওয়ারের। শেষকৃত্যে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। উপস্থিত থাকবেন অজিতের কাকা শরদ পাওয়ার, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস, উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে।


প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধেয় বারামতীর একটি মেডিক্যাল কলেজ থেকে অজিতের মরদেহ পুণে জেলার বিদ্যা প্রতিষ্ঠান চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে এনসিপি কর্মীরা তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানান। তারপর অজিতের কফিনবন্দি দেহাংশ ফুলে ঢাকা শকটে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর কাটেওয়াড়ির বাড়িতে। সেখানে এনসিপি নেতাকে শ্রদ্ধা জানান পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ ওই শকট জিডি মদগলকর সভাগৃহের দিকে রওনা দিয়েছে। সেখান থেকে শেষযাত্রা শুরু হয়ে শেষ হবে বিদ্যা প্রতিষ্ঠান মাঠে।


এদিকে, প্রিয় অজিত পাওয়ারকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে শেষযাত্রায় পা মিলিয়েছেন এনসিপির কর্মী–সমর্থকরা। তাঁদের অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। ভিড় থেকে স্লোগান উঠছে, ‘অজিত দাদা অমর রহে’।


প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে মাঝারি মাপের চার্টার্ড বিমানে মুম্বই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন অজিত পাওয়ার। বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময়েই ভেঙে পড়ে বিমানটি। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, সেটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ মডেল–এর ‘ভিটি–এসএসকে’ বিমান। বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস সংস্থার তৈরি এই বিমানটিই বুধবার সকালে ভেঙে পড়ে বারামতীতে।