আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা। বাধা দিতেই শেষ গোটা পরিবার। পরিযায়ী শ্রমিকদের হাতেই খুন হলেন আরেক পরিযায়ী শ্রমিক ও তাঁর পরিবার।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে চেন্নাইয়ে। এক পরিযায়ী শ্রমিক, তাঁর স্ত্রী ও তাঁদের দু'বছরের ছেলেকে খুনের অভিযোগ উঠেছে একদল পরিযায়ী শ্রমিকের বিরুদ্ধে। মৃত শ্রমিকের স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা। যৌন হেনস্থায় বাধা দিতেই পরিযায়ী শ্রমিকের গোটা পরিবারকেই শেষ করার অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, গত সোমবার এক ব্যাগের মধ্যে থেকে পরিযায়ী শ্রমিকের দেহটি উদ্ধার করা হয়েছিল। ব্যাগটি থেকে রক্ত চুঁইয়ে পড়ছিল। তা দেখেই পুলিশে খবর দেন তাঁরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, যুবকের নাম, গৌরব কুমার। তিনি বিহারের বাসিন্দা ছিলেন। চেন্নাইয়েই সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কাজ করতেন। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়। চার অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে তারা। দীর্ঘ জেরায় জানা যায়, গৌরব, তাঁর স্ত্রী, দু'বছরের সন্তানকে চারজনে মিলে খুন করেন।
মধ্য কৈলাশের এক খাল থেকে খুদের দেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। গৌরবের স্ত্রীর দেহটি এখনও উদ্ধার করা হয়নি। মৃতের পরিবার ও অভিযুক্তরা পূর্বপরিচিত ছিলেন। মদ্যপানের পরেই দু'পক্ষের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। তারপরেই খুনের ঘটনাটি ঘটেছে।
প্রসঙ্গত গত নভেম্বরের শুরুতেও এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। ফাঁকা বাড়ি। স্বামী কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। মাত্র দশ দিন আগেই ফুটফুটে কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন তরুণী। সংসারে ছিল দেড় বছরের আরও এক কন্যাসন্তান। স্বামী অনুপস্থিতিতে দুই কন্যাসন্তানের গলা কেটে নির্মমভাবে খুন করেন মা। চরম মানসিক চাপে এরপর আত্মঘাতী হন তরুণী। যে ঘটনায় শিউরে উঠেছিল প্রতিবেশী থেকে পুলিশ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছিল কর্ণাটকে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার মহীশূরে দুই সন্তানকে নির্মমভাবে খুন করেন তাদের মা। এরপর তরুণী আত্মঘাতী হন। ঘটনাটি ঘটেছে পেরিয়াপাটনা তালুকের বেত্তাদাপুরা গ্রামে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, দশ দিনের এক সদ্যোজাত কন্যাসন্তান ও দেড় বছরের মেয়ের গলা কেটে খুন করেন আরাবিয়া ভানু নামের তরুণী। এরপর তিনি আত্মঘাতী হন। তরুণীর স্বামী বেঙ্গালুরুতে একটি শপিং মলে কাজ করেন। সদ্যোজাত ও খুদে কন্যাসন্তানকে নিয়ে তিনি একাই থাকতেন বাড়িতে।
পুলিশের অনুমান, পারিবারিক ঝামেলা ও দাম্পত্য কলহের জেরেই চরম পদক্ষেপ করেছেন তরুণী। ফাঁকা বাড়িতে দুই কন্যাসন্তানকে নৃশংসভাবে খুন করেন। মানসিক চাপে নিজেও আত্মঘাতী হন। তবে এহেন চরম পদক্ষেপের নেপথ্যে আর কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুন ও আত্মহত্যার মামলা রুজু করে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
