আজকাল ওয়েবডেস্ক: সাত বছরের নাবালিকা ধর্ষণ করে খুন। অভিযোগ উঠেছে তার কাছের এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে। যে ঘটনায় রীতিমতো শিউরে উঠেছেন স্থানীয়রা।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশে। বৃহস্পতিবার পুলিশ জানিয়েছে, সাত বছর বয়সি নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে তার এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে। ১৭ বছর বয়সি অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। নাবালিকাকে খুনের পর, দেহটি খালের জলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বারোয়ারি জেলায়। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ২৬ জানুয়ারি ইন্দিরা সাগর খাল থেকে নাবালিকার দেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। রাজপু্র থানায় ঘটনাটি ঘিরে অভিযোগ জানিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে নাবালিকার দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
ময়নাতদন্তের পর জানা গেছে, খালের জলে ডুবেই নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতবিক্ষত ছিল তার গোপনাঙ্গ। অভিযুক্ত কিশোর পুলিশি জেরায় জানিয়েছে, ২৫ জানুয়ারি রাতে নাবালিকাকে বাড়ি থেকেই তুলে নিয়ে যায় সে। সেই সময় বাড়ির সদস্যরা ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। গভীর রাতে ওই খালের ধারেই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করে সে।
ধর্ষণের সময় যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে চিৎকার করেছিল নাবালিকা। তখনই তাকে ছুড়ে ফেলে খালে। সেখানেই জলে ডুবে তার মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত কিশোরের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার এবং পকসো ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
গত বছর এপ্রিল মাসেই এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। বিয়েবাড়িতে হইহুল্লোড়ে মেতেছিলেন সকলে। আচমকাই অনেকের কানে ভেসে আসে এক নাবালিকার চিৎকার। তড়িঘড়ি সকলে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। নাবালিকাকে উদ্ধারের পরেই, ভয়ঙ্কর অত্যাচারের বর্ণনা শুনে আঁতকে উঠেছিলেন তাঁরা। বিয়েবাড়ির মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছিল আট বছরের এক নাবালিকা।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছিল উত্তরপ্রদেশের বরেলিতে। পুলিশ জানিয়েছে, বিসারতগঞ্জ থানার অন্তর্গত এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ২৪ এপ্রিল ওই এলাকারই একটি বিয়েবাড়িতে আটবছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে সোমবার ৪৭ বছরের অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত জেল হেফাজতে রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সেদিন পরিবারের সঙ্গে এক আত্মীয়ের বিয়েতে এসেছিল নাবালিকা। খাবারের লোভ দেখিয়ে ভিড়ের মধ্যে থেকে নাবালিকাকে ফাঁকা ঘরে নিয়ে যান অভিযুক্ত। সেখানেই তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। নাবালিকার চিৎকার শুনে ছুটে আসে পরিবার। এরপরই ধর্ষণের ঘটনাটি জানতে পারে। সেদিন রাতে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতার পরিবার।
অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। এরপর অভিযুক্তকে সেই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেরায় নাবালিকাকে ধর্ষণের ঘটনাটি স্বীকার করে নেন অভিযুক্ত।
