আজকাল ওয়েবডেস্ক: রামমন্দির উদ্বোধনের পর প্রথম দীপাবলি। আলোয় সাজছে অযোধ্যা। সাজানো হবে ২৮ লাখ প্রদীপের মালা দিয়ে, এমনই কর্মসূচি নিয়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার।
আর মাত্র কয়েকদিন পরেই দীপাবলি। আলোর উৎসব। রামায়ণে বলা হয়ে থাকে, লঙ্কা জয় করে সীতাকে নিয়ে রাম যেদিন ফিরেছিলেন সেদিন আলো জ্বালিয়ে তাদের প্রিয় রাজার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন অযোধ্যাবাসীরা। সেইদিনই দীপাবলি।
এবারের দীপাবলি অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণের পর প্রথম দীপাবলি। তাই সরযূ নদীর তীরে ২৮ লাখ প্রদীপ জ্বালিয়ে বিশ্ব রেকর্ড করতে চাইছে উত্তর প্রদেশ সরকার। সবই করা হবে পরিবেশের কথা মাথায় রেখেই, এমনটাই জানিয়েছে সরকার। ব্যবহার করা হবে পরিবেশ বান্ধব প্রদীপ। এর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং মন্দিরটিকে কাঁচের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে বিশেষ মোমের বাতি ব্যবহার করা হবে।
একটি বিবৃতিতে প্রকাশ করে সরকার জানিয়েছে, রাম মন্দির কমপ্লেক্স পুরোটাই ফুল দিয়ে সাজানো হবে। সেখানের আলোকসজ্জা, প্রবেশদ্বার খিলান সজ্জা এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন, বিহার ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত আইজি আশু শুক্লা।
সাজানো হবে সরোজ নদীর তীরে ৫৫টি ঘাট। প্রতিটি প্রদীপে থাকবে ৩০ মিলি করে সরষের তেল। প্রায় ৩২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত রয়েছেন এই কাজে। এর মধ্যে রয়েছে ১৪টি কলেজ, ৩৭টি আন্ত কলেজ এবং ৪০টি এনজিওর স্বেচ্ছাসেবকেরা। ২৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রদীপে তেল ভরে সম্পূর্ণ করা হবে। পরেরদিন ২৯ তারিখ দেখে নেওয়া হবে সমস্ত কিছু। ৩০ অক্টোবর দীপাবলীর সন্ধ্যায় জ্বালানো হবে প্রদীপ।
জানা গিয়েছে, এরই মধ্যে, রাম কি পাইদির ১০ নম্বর ঘাটে ৮০ হাজার প্রদীপ দিয়ে একটি স্বস্তিক প্রতীক তৈরি করা হচ্ছে। শুধু এই কাজে রয়েছেন ১৫০ জনের বেশি স্বেচ্ছাসেবক। দীপাবলি উপলক্ষে, রামের জন্ম মন্দির ২৯ অক্টোবর থেকে এক নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে। মন্দির সাজবে আলোয়। এই আলোর সজ্জা গেট নম্বর ৪বি থেকে সবচেয়ে সুন্দর দেখা যাবে এমনই জানিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
বিপুল লোকসমাগম হবে সে কথা মাথায় রেখে ঘাটগুলিতে থাকবে পানীয় জলের ব্যবস্থা। থাকবে প্রচুর স্বেচ্ছাসেবকও।
