আজকাল ওয়েবডেস্ক: তামিলনাড়ুর রাজনীতি ঘিরে আলোড়ন পড়েছে গোটা দেশে। ডিএমকে, এডিএমকে-র দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দলকে ধরাশায়ী করে ক্ষমতায় এসেছে সিনেতারকা বিজয়ের দল টিভিকে। নানা টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজয়। এবার বিধানসভায় আস্থা ভোটের আগেও স্বস্তিতে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী। কারণ সব কিছু ঠিকঠাক এগোলে আরও ৩০ বিধায়কের সমর্থন পেতে পারেন বিজয়। কারণ তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অধুনা প্রয়াত জয়ললিতার দল এডিএমকে-র ৩০ জন বিধায়ক বিজয়কে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তরুণ তুর্কি থালাপতি বিজয় তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন ইতিমধ্যে। ২০২৪ সালে তিনি তামিলনাড়ু ভেট্টি কাজাগাম দল গঠন করেন। তার মাত্র দু-বছরেই তামিলনাড়ুর ‘রাজা’ হিসেবে আবির্ভূত হলেন এই তরুণ নেতা। স্বয়ং স্ট্যালিন নিজের নির্বাচনী এলাকা থেকেই নির্বাচনে হেরেছেন। বিজয়ের দল ১০৮টি আসন জিতেছে। ইতিমধ্যে, থালাপথি বিজয়ের শৈশবের বেশ কিছু দুর্লভ ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এমনই একটি ছবিতে তাঁকে করুণানিধির সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। ছবিটি দেখে নেটাগরিকরা বলছেন যে, করুণানিধি হয়তো কখনও কল্পনাও করতে পারেননি যে এই ছোট্ট ছেলেটি একদিন তাঁর দলকে কার্যত ক্ষমতাচ্য়ুত করে দেবে।
কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিআই(এম), ভিসিকে এবং আইইউএমএল-এর কাছ থেকে সমর্থনপত্র পাওয়ার পরপরই বিজয় লোকভবনে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। প্রায় সাত দশকে তামিলনাড়ুর ইতিহাসে এই প্রথমবার ডিএমকে ও এআইএডিএমকে ছাড়া কোনও সরকার ক্ষমতায় এল। এরপর শপথও নেন বিজয়। তবে, তামিলনাড়ু বিধানসভায় এবার বিজয়ের দলকে সংখ্য়াগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। তবে, তার আগেই এডিএমকে-র ৩০ জন বিধায়ক বিজয়কে সমর্থনের কথা জানিয়ে দিলেন।
বিজয় ১৯৮৫ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তাঁর পুরো নাম জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর। তাঁর বাবা চন্দ্রশেখর একজন সুপরিচিত পরিচালক। তাঁর মা শোভা চন্দ্রশেখর একজন প্লেব্যাক গায়িকা। বিজয় এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬৫টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যার বেশিরভাগই বক্স অফিসে ব্লকবাস্টার হয়েছে।















