চলে গেলেন ছোট-বড়পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা পার্থসারথি দেব। অসুস্থতা নিয়ে দীর্ঘ লড়াই। সিওপিডি, ফুসফুসে সংক্রমণ, নিউমোনিয়া নিয়ে ভেন্টিলেশনে দীর্ঘদিন ভর্তি ছিলেন। আর্টিস্ট ফোরামের তরফ থেকে আজকাল ডট ইনকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। ফোরামের সহ-সভাপতির প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সম্পাদক শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, দিগন্ত বাগচী-সহ একাধিক জনপ্রিয় অভিনেতা। অভিনেতাকে গত পুজোয় নন্দিতা রায়-শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ‘রক্তবীজ’ ছবিতে দেখা গিয়েছিল। সে কথা আরও একবার স্মরণ করে শোকস্তব্ধ নন্দিতা। শনিবার টেকনিশিয়ান স্টুডিওয় তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানানো হবে। শেষকৃত্য হবে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে।
শনিবার দিল্লিতে সংসদ ভবনের রাজ্যসভা কক্ষে দেখানো হচ্ছে উইন্ডোজ প্রযোজনা সংস্থার প্রথম হিন্দি ছবি ‘শাস্ত্রী বিরুদ্ধ শাস্ত্রী’। সেখানে উপস্থিত নন্দিতা। তিনি ফোনে জানান, এমন দিনে তাঁর পারিবারিক বন্ধু নেই! ভাবতেই পারছেন না। তাঁর কথায়, ‘‘রক্তবীজ’ ছবিতে পার্থসারথি অনসূয়া মজুমদার ওরফে ‘গৌরীদেবী’র বাড়ির গাড়ির পুরনো চালক। সেই অনুযায়ী একটা পুরনো অ্যাম্বাসেডর গাড়ি আনা হয়েছিল। ওকে গাড়ি চালাতেও হবে। পার্থসারথি গাড়ি চালাতে জানত। তারপরেও যখনই ও স্টিয়ারিংয়ে বসেছে, আমরা চিন্তায় থাকতাম। গাড়ির ভিতরে ছবির একাধিক অভিনেতা। যদি দুর্ঘটনা ঘটায়! কিন্তু পার্থ প্রতিবার প্রমাণ করেছে, ও পরিচালকের অভিনেতা।’’ অন্যতম পরিচালকের দাবি, যতক্ষণ সেটে থাকতেন হাসিতে-আড্ডায় মাতিয়ে রাখতেন তাঁর বন্ধু। সবার সঙ্গে চট করে বন্ধুত্ব করে নিতে পারতেন। ভীষণ অমায়িক, বিনয়ী।
শোকস্তব্ধ তাঁর ছোটপর্দার সহ-অভিনেতা বন্ধুরাও। দিগন্ত বাগচী লিখেছেন, ‘কত স্মৃতি। আর বলব না, সাবধানে থেকো। খাওয়া কন্ট্রোল কোরো। ডা. দেখিয়ে নাও। যেখানেই থেকো ভাল থেকো দাদা। খুব মিস করব।’ মঞ্চ-পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সোহন বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, ভালো থেকো। আর ঝগড়া করব না আমরা। আর বুড়ো বয়সে বকুনি খাবে না তুমি আমার কাছে। আর ফোনটা আসবে না কোনওদিন। জিজ্ঞেস করবে না, "একটা উকিলি বুদ্ধি দে তো।" ব্লকবাস্টার ধারাবাহিক ‘এক আকাশের নীচে’র স্মৃতিকথা চৈতি ঘোষালের লেখনিতে। তিনি ধারাবাহিকের একটি ছবি ভাগ করে লিখেছেন, ‘এক আকাশের নীচে… পার্থদার সঙ্গে আমরা সবাই। পার্থসারথি দেব … আমি ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি আমার বাবার কাছে আসতেন … তারপর থিয়েটার.. মালঞ্চ .. রণজিৎ-এর ছবি (পার্থদার প্রিয়) .. তারপর ‘এক আকাশের নীচে’। মাকে বৌদি বলতেন... অনেক নালিশ করেছেন আমার ব্যাপারে.. পার্থদার সঙ্গে আমার খুব আন্তরিক সম্পর্ক ছিল৷ দেখা হত না কিন্তু একবার ফোন করলে গল্প চলত … পার্থদার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ কাজ "পটলবাবু ফিল্মস্টার"। আহাহা!! পার্থদা ব্যথা লেগেছে! তোমার চলে যাওয়ায়!!! স্যালুট। মনে রাখব তোমাকে। ‘এক আকাশের নীচে’র ছোট-বড় মজার অসংখ্য মুহুর্ত।’
ছবি: সুপ্রিয় নাগ
শনিবার দিল্লিতে সংসদ ভবনের রাজ্যসভা কক্ষে দেখানো হচ্ছে উইন্ডোজ প্রযোজনা সংস্থার প্রথম হিন্দি ছবি ‘শাস্ত্রী বিরুদ্ধ শাস্ত্রী’। সেখানে উপস্থিত নন্দিতা। তিনি ফোনে জানান, এমন দিনে তাঁর পারিবারিক বন্ধু নেই! ভাবতেই পারছেন না। তাঁর কথায়, ‘‘রক্তবীজ’ ছবিতে পার্থসারথি অনসূয়া মজুমদার ওরফে ‘গৌরীদেবী’র বাড়ির গাড়ির পুরনো চালক। সেই অনুযায়ী একটা পুরনো অ্যাম্বাসেডর গাড়ি আনা হয়েছিল। ওকে গাড়ি চালাতেও হবে। পার্থসারথি গাড়ি চালাতে জানত। তারপরেও যখনই ও স্টিয়ারিংয়ে বসেছে, আমরা চিন্তায় থাকতাম। গাড়ির ভিতরে ছবির একাধিক অভিনেতা। যদি দুর্ঘটনা ঘটায়! কিন্তু পার্থ প্রতিবার প্রমাণ করেছে, ও পরিচালকের অভিনেতা।’’ অন্যতম পরিচালকের দাবি, যতক্ষণ সেটে থাকতেন হাসিতে-আড্ডায় মাতিয়ে রাখতেন তাঁর বন্ধু। সবার সঙ্গে চট করে বন্ধুত্ব করে নিতে পারতেন। ভীষণ অমায়িক, বিনয়ী।
শোকস্তব্ধ তাঁর ছোটপর্দার সহ-অভিনেতা বন্ধুরাও। দিগন্ত বাগচী লিখেছেন, ‘কত স্মৃতি। আর বলব না, সাবধানে থেকো। খাওয়া কন্ট্রোল কোরো। ডা. দেখিয়ে নাও। যেখানেই থেকো ভাল থেকো দাদা। খুব মিস করব।’ মঞ্চ-পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সোহন বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, ভালো থেকো। আর ঝগড়া করব না আমরা। আর বুড়ো বয়সে বকুনি খাবে না তুমি আমার কাছে। আর ফোনটা আসবে না কোনওদিন। জিজ্ঞেস করবে না, "একটা উকিলি বুদ্ধি দে তো।" ব্লকবাস্টার ধারাবাহিক ‘এক আকাশের নীচে’র স্মৃতিকথা চৈতি ঘোষালের লেখনিতে। তিনি ধারাবাহিকের একটি ছবি ভাগ করে লিখেছেন, ‘এক আকাশের নীচে… পার্থদার সঙ্গে আমরা সবাই। পার্থসারথি দেব … আমি ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি আমার বাবার কাছে আসতেন … তারপর থিয়েটার.. মালঞ্চ .. রণজিৎ-এর ছবি (পার্থদার প্রিয়) .. তারপর ‘এক আকাশের নীচে’। মাকে বৌদি বলতেন... অনেক নালিশ করেছেন আমার ব্যাপারে.. পার্থদার সঙ্গে আমার খুব আন্তরিক সম্পর্ক ছিল৷ দেখা হত না কিন্তু একবার ফোন করলে গল্প চলত … পার্থদার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ কাজ "পটলবাবু ফিল্মস্টার"। আহাহা!! পার্থদা ব্যথা লেগেছে! তোমার চলে যাওয়ায়!!! স্যালুট। মনে রাখব তোমাকে। ‘এক আকাশের নীচে’র ছোট-বড় মজার অসংখ্য মুহুর্ত।’
ছবি: সুপ্রিয় নাগ
