পুজোয় মুক্তি পাওয়া দেবী চৌধুরাণীর দুর্ধর্ষ সাফল্যের পর নতুন ছবি নিয়ে বড়পর্দায় ফিরছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। আবারও তিনি অবতীর্ণ হবেন কাকাবাবুর চরিত্রে। চলতি মাসেই মুক্তি পাচ্ছে বিজয়নগরের হীরে। তার আগে টলিউডে বর্তমানে চলতে থাকা আক্রমণাত্মক প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া ট্রোল নিয়ে আজকাল ডট ইনের কাছে নিজের ভাবনা তুলে ধরলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। 

টলিউডে বর্তমানে হামেশাই দেখা যাচ্ছে এক ছবির নির্মাতারা অন্য ছবি নির্মাতাকে আক্রমণ করছেন হল পাওয়া, শো সংখ্যা ইত্যাদি নিয়ে। সঙ্গে রয়েছে তারকাদের অনুরাগীরা। এই বিষয় নিয়ে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হচ্ছে। তবে এটাকে ঠিক আক্রমণাত্মক বলব না। আসলে যাঁরা বলেন তাঁদের মুখ থেকে তো আমরা শুনছি না। অন্যান্য মানুষের মুখ থেকে শুনছি।" ফলে 'ইন্ডাস্ট্রি'র মতে, বিষয়টা অনেক সময়ই 'মিসকোট' হয়। 

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এদিন এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, "আমি দায়িত্ব নিয়ে, ক্যামেরার সামনে বলছি, আমরা ভাগ্যবান যে আমাদের সময় এত সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না। আপনি তাপস পালের একটা লাইন বা প্রসেনজিতের একটা লাইন বের করতে পারবেন না যে ও আমাকে নিয়ে কিছু বলেছে, বা আমি ওকে নিয়ে কিছু বলেছি। এখন ধরুন ও কিছু বলল। সেই কথাটা আরও চারটে লেয়ার দিয়ে অন্য আরেকজন কাউকে বলল যখন সেটা নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে যায়। আরে যে বলেছে তাকে জিজ্ঞেস করো। ওই ধৈর্য চলে গিয়েছে এটা জিজ্ঞেস করার যে ভাই তুমি কি এটা বলেছিলে? তার আগেই ওই কথা আগুনের মতো ছড়িয়ে যাচ্ছে।" 

কেবল এতটুকু বলেই ক্ষান্ত হননি বুম্বাদা। তিনি ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র হিসেবে করেন আরও এক অনুরোধ। টলিউডের সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "জ্যেষ্ঠ পুত্র বল বা ইন্ডাস্ট্রি বা অন্য কিছু, আমি বলব তোরা ঝগড়াঝাঁটি কর, মারামারি কর। খালি বাইরে কিছু বলিস না। একটা সংসারেও এই ঝগড়াঝাঁটি হয়। তারা কি সকালে মাইক নিয়ে বলতে থাকে আমাদের এই ঝগড়া হয়েছে।" 

প্রসঙ্গত, বিজয়নগরের হীরে ছবিতে কাকাবাবুর চরিত্রে দেখা যাবে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। সন্তু হিসেবে থাকবেন আরিয়ান ভৌমিক। সৃজিত মুখোপাধ্যায় নন, এবার কাকাবাবু ফ্র্যাঞ্চাইজির এই ছবিটির পরিচালনা করেছেন চন্দ্রাশিস রায়। আগামী ২৩ জানুয়ারি, সরস্বতী পুজো তথা নেতাজি জন্মজয়ন্তীর দিন মুক্তি পাবে ছবিটি।