জি বাংলার ধারাবাহিক 'কুসুম'-এর গল্প জমে উঠেছে। সম্প্রতি এই ধারাবাহিকে দেখানো হয়েছে ঈশান এবং দেবলীনার বিয়ে আটকে দিয়েছে আয়ুষ্মান এবং কুসুম। দেবলীনার আসল রূপ সকলের সামনে ফাঁস করে দিয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, দেবলীনাকে পাঠানো হয়েছে জেলে। সেখানে বসেই ফন্দি আঁটে গাঙ্গুলি পরিবারকে শায়েস্তা করার। কিছুদিন আগে গল্পে দেখানো হয়েছে জেলে বসে দেবলীনা জানাচ্ছে তার তুরুপের তাস তৈরি। অন্যদিকে গাঙ্গুলি বাড়িতে বিপদের ঝড় কাটিয়ে সকলে আনন্দে মেতে উঠেছে। 

 


এদিকে, কয়েকদিন আগেই কুসুম জানতে পারে দেবলীনার পাঠানো গুণ্ডা এই বাড়িতেই ছদ্মবেশে লুকিয়ে রয়েছে। আর সে ইন্দ্রাণীকে মারতে চায়। তাই কোনওকিছু না ভেবে ইন্দ্রাণীকে বাঁচাতে বড়ো বলিদান কুসুমের। দেবীমার মতো সেজে কীভাবে বানচাল করবে সে দেবলীনার পাঠানো ষড়যন্ত্রকারীর নৃশংস প্ল্যান? প্রাণরক্ষা করতে গিয়ে কোন নতুন বিপদের মুখে পড়বে কুসুম?

 

দর্শকের এসব প্রশ্নের মাঝেই এল এক নতুন উত্তর। কুসুম নয় ইন্দ্রাণীকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়ে দিল অন্য একজন। কে সে? সে জানায় তার নাম মেঘা। ইন্দ্রাণীকে সে নিজের আইডল ভাবে। তাই তার জন্য একটা ছবি এঁকে সে নিয়ে এসেছে। কিন্তু সেই ছবির উপর কুসুম অসাবধানতাবশত চা ফেলে দেয়। এতে রেগে যায় আয়ুষ্মানের কাকিমণি। সে কুসুমের উপর চড়াও হলে মেঘা সামনে এসে দাঁড়ায়। সে বলে, এতে কুসুমের কোনও দোষ নেই। 

 

মেঘার এই স্বভাব খুবই পছন্দ হয় ইন্দ্রাণীর। সে বলে, এরকম মেয়ে আয়ুষ্মানের পাশে খুব ভাল মানাবে। এই কথা শুনে কুসুম আঁতকে ওঠে। আসলে গল্পের মোড়ে ঈশানের সঙ্গে অনুশ্রীর বিয়ে মেনে নেয় ইন্দ্রাণী। ঈশান ও অনুশ্রীর বিয়ের নিয়মকাজ দেখে কুসুমের মনে পড়ে তার ও আয়ুষ্মানের বিয়ের কথা। যদিও আয়ুষ্মান এই বিয়েকে নিছক বিজ্ঞাপনের শুটিং হিসেবেই দেখে। তবুও মনে মনে নিজেকে আয়ুষ্মানের স্ত্রী হিসেবেই কল্পনা করে সে। তাই ইন্দ্রাণীর মুখে মেঘার সঙ্গে আয়ুষ্মানের বিয়ের কথা শুনে আঁতকে ওঠে সে। কী হবে এবার? মেঘার সঙ্গে কি আয়ুষের বিয়ে ঠিক করবে ইন্দ্রাণী? কুসুম কি এবার সবার সামনে বিয়ের কথাটা বলবে?

 


 

এদিকে, মেঘার আসল পরিচয় হল সে দেবলীনার দিদি। দেবলীনা তো এখন জেলে। মেঘা কি তবে ইন্দ্রাণীর পরিবারে ক্ষতি করতে এসেছে? নাকি তার অন্য কোনও মতলব আছে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে। প্রসঙ্গত, এই চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী আয়েন্দ্রী রায়কে।